Logo

জাতীয়

গণঅভ্যুত্থানে আহতদের শাহবাগ মোড় অবরোধ

Icon

বাংলাদেশের প্রতিবেদক

প্রকাশ: ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১৪:৫৪

অ
গণঅভ্যুত্থানে আহতদের শাহবাগ মোড় অবরোধ

ক্যাটাগরি পুনর্বিবেচনায় নিয়ে তিনটি থেকে দুটি করা এবং পুনর্বাসন ও ক্ষতিপূরণের দাবিতে শাহবাগ মোড় অবরোধ করেছেন জুলাই-আগস্টে ছাত্র-জনতার আন্দোলনে আহতরা। 

সোমবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে তিনটি দাবি নিয়ে শাহবাগ মোড় অবরোধ করেন। এ সময় সড়কে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়। পুলিশ তাদের নানা যুক্তি দিয়ে রাস্তা ছাড়ার কথা বললেও দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত সড়ক না ছাড়ার কথা জানিয়েছেন তারা। 

ছবি : বাংলাদেশের খবর

তাদের পেশ করা দাবিগুলোর মধ্যে অন্যতম দুটির একটি ক্যাটাগরি-এ (কর্মে অক্ষম), অপরটি ক্যাটাগরি-বি (কর্মে সক্ষম)। তবে সরকারের পক্ষ থেকে আরও একটি ক্যাটাগরির কথা বলা হয়েছে। সেটি ক্যাটাগরি-সি। সি-ক্যাটাগরির আওতায় থাকবেন, যারা আহত হলেও চিকিৎসা নিয়ে সুস্থ হয়েছেন। 

সি-ক্যাটাগরির আওতায় তাদের চাকরি দেওয়ার কথা বলছে সরকার। তবে তারা সেটি মানছেন না। তারা বলছেন, সরকারের এই সিদ্ধান্তের বাস্তবায়ন নিয়ে তারা সন্দিহান। কারণ এ সংক্রান্তে কোনো নীতিমালা নেই। 

জুলাই-আগস্টে আহদের দাবি, যেসব আহত যোদ্ধা স্থায়ীভাবে কর্মক্ষমতা হারিয়েছেন (যেমন- পঙ্গুত্ব, চোখ হারানো, বাহ্যিক ও অভ্যন্তরীণভাবে গুরুতর আহত) তাদের জন্য এ ক্যাটাগরির আওতায় মাসিক ২০ হাজার টাকা ভাতা, পূর্বের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে এককালীন ভাতা বৃদ্ধি করতে হবে। পরিবারে দায়িত্বশীল ব্যক্তিকে সরকারি বা আধা-সরকারি পর্যায়ে প্রশিক্ষণ ও কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে।

অন্যদিকে, যেসব আহত যোদ্ধা সুস্থ হয়েছেন, সুস্থ হয়ে স্বাভাবিক জীবনে ফিরবেন এবং স্থায়ীভাবে কর্মক্ষম থাকবেন, তাদের জন্য মাসিক ১৫ হাজার টাকা ভাতা, পূর্বের সিদ্ধান্ত পরিবর্তন করে এককালীন ভাতা বৃদ্ধি করতে হবে। প্রশিক্ষণ ও সরকারি বা অধা-সরকারি কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করতে হবে।

এ ছাড়া বিশেষ সুরক্ষা আইন প্রণয়ন করে আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে। এই আইনের আওতায় আহত ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে কোনো হুমকি, হয়রানি বা হত্যাচেষ্টা হলে সর্বোচ্চ শাস্তির বিধান থাকতে হবে।

আরও একটি জোড়ালো দাবি জানিয়েছেন তারা। তারা বলছেন, ইমার্জেন্সি হটলাইন চালু করে আহত ও শহীদ পরিবারের সুচিকিৎসা, মানসিক কাউন্সেলিং, হয়রানি প্রতিরোধ এবং সমস্যা সমাধানের জন্য ২৪×৭ টোল-ফ্রি হটলাইন চালু করতে হবে।

ডিএমপির রমনা জোনের ডিসি মাসুদ আলম ঘটনাস্থলে রয়েছেন। তিনি আন্দলোনকারীদের আলাপ করছেন। বারবার বুঝিয়েও আশ্বস্ত করতে পারছেন না। আন্দোলনকারীরা সরকার থেকে সিদ্ধান্ত চাইছেন।

  • এনএমএম/এমজে
Logo
সম্পাদক ও প্রকাশক মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন