Logo

মতামত

ঘরে আধার নামতেই পারে, রাষ্ট্রের পরিকল্পনা যেন হয় আলোকিত

Icon

মনিরুজ্জামান অন্তর

প্রকাশ: ১৭ আগস্ট ২০২৬, ২০:৩৫

ঘরে আধার নামতেই পারে, রাষ্ট্রের পরিকল্পনা যেন হয় আলোকিত

মনিরুজ্জামান অন্তর, ছবি: সংগৃহীত

বিদ্যুৎ চলে গেলে ঘর অন্ধকার হয়- এহেন কথা নতুন নয় অধিক পুরাতন। কিন্তু যখন দিনের পর দিন, রাতের পর রাত দীর্ঘ সময় লোডশেডিং চলতে থাকে তখন অন্ধকার শুধু ঘরের চার দেয়ালের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। এই অন্ধকার ছড়িয়ে পড়ে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রা, শিক্ষা, চিকিৎসা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও উৎপাদনের প্রতিটি স্তরে। সাম্প্রতিককালে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে যে ভয়াবহ লোডশেডিং দেখা দিয়েছে তা নিছক সাময়িক বিদ্যুৎ-বিভ্রাট হিসেবে দেখার কোনো সুযোগ নেই। এটি দেশের বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবস্থাপনার গভীর দুর্বলতারই বহিঃপ্রকাশ।

বিদ্যুৎ চলে যাওয়াটা এ দেশের নতুন কোনো ঘটনা নয়। কিন্তু প্রশ্ন হচ্ছে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা বাড়ানোর এতো বছর পরেও কেন মানুষকে আবার ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের অন্ধকারে বসে থাকতে হবে? কেন একজন কৃষক সেচের পাম্প চালাতে পারবেন না? কেন একজন শিক্ষার্থী তার পড়ার টেবিলে আলো পাবেন না? কেন একজন শ্রমিকের কর্মঘণ্টা নষ্ট হবে? কেন কারখানার উৎপাদন বন্ধ হয়ে যাবে?

এই প্রশ্নগুলোর উত্তর শুধু ‘গ্যাসের সংকট’ বলে গোঁজামিল দিয়ে শেষ করে দেওয়া যায় না। বরং গ্যাস সংকট কেন হলো, বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিকল্পনায় তার প্রতিকার কতটা ছিল, বিকল্প জ্বালানির ব্যবস্থা কী, আর সংকট মোকাবিলায় রাষ্ট্রের প্রস্তুতি কতটুকু এইসব প্রশ্নের উত্তরও দিতে হবে। ‎সাম্প্রতিক লোডশেডিং নিছক একটি সাময়িক বিদ্যুৎ-সংকট নয় এটি বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের দীর্ঘদিনের পরিকল্পনাগত দুর্বলতারও প্রকাশ।

সাম্প্রতিককালে একটি এলএনজি টার্মিনালে কারিগরি সমস্যার কারণে জাতীয় গ্রিডে গ্যাস সরবরাহ দৈনিক প্রায় ৪৫০ মিলিয়ন ঘনফুট কমে যায়। এর সরাসরি প্রভাব পড়ছে বিদ্যুৎকেন্দ্র, শিল্পকারখানা, সিএনজি স্টেশন ও গৃহস্থালিতে। এখানেই মূল প্রশ্নটি সামনে আসে, একটি টার্মিনাল সাময়িকভাবে অচল হলেই যদি বিদ্যুৎ উৎপাদন ও গ্যাস সরবরাহব্যবস্থা এতটা নড়বড়ে হয়ে পড়ে, তাহলে আমাদের জ্বালানি নিরাপত্তার ভিত্তি আসলে কতটুকু শক্ত?

বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা গত এক দশকে উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। কিন্তু শুধু বিদ্যুৎকেন্দ্র নির্মাণ করলেই বিদ্যুৎনিরাপত্তা নিশ্চিত হয় না। সেই কেন্দ্র চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় গ্যাস, কয়লা, তেল, পরিবহনব্যবস্থা, সঞ্চালনলাইন ও বিতরণব্যবস্থাও নিশ্চিত করতে হয়। এখানেই আমাদের পরিকল্পনার বড় অসংগতি।

২০২৬ সালের গ্রীষ্মকালীন পরিকল্পনা নিয়ে প্রকাশিত প্রতিবেদনে দেখা যায়, গ্যাসের অভাবে গ্যাসভিত্তিক বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর বড় একটি অংশ পূর্ণ সক্ষমতায় চালানো সম্ভব হয়নি। এমনকি প্রায় ১২ হাজার ২০০ মেগাওয়াট গ্যাসভিত্তিক সক্ষমতার বিপরীতে সর্বোচ্চ প্রায় পাঁচ হাজার ২০০ মেগাওয়াট ব্যবহারের সক্ষমতার কথা উঠে এসেছে। অর্থাৎ বিপুল বিনিয়োগে নির্মিত সক্ষমতা পড়ে আছে অথচ মানুষ বিদ্যুৎ পাচ্ছে না।

একদিকে বিদ্যুৎকেন্দ্রের সক্ষমতার জন্য অর্থ পরিশোধ করতে হচ্ছে। অন্যদিকে পর্যাপ্ত জ্বালানির অভাবে সেই কেন্দ্র চালানো যাচ্ছে না। আবার বিদ্যুৎ না থাকায় শিল্পের উৎপাদনও ব্যাহত হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত এর খরচ কে দিচ্ছে? আমি, তুমি, সে, আপনি মোদ্দাকথা জনগণ।

লোডশেডিং হলে সবাই সমানভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এমনটা বলা যাবে না। বাস্তবতা হলো গ্রামীণ জনগোষ্ঠী শহরের তুলনায় অনেক বেশি সময় বিদ্যুৎহীন থাকছে। সাম্প্রতিককালে দেশের বিভিন্ন গ্রামীণ এলাকায় প্রায় ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ না থাকার অভিযোগ উঠেছে। কোথাও কোথাও পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে। প্রশ্ন হচ্ছে, বিদ্যুতের সংকট হলে শহরের তুলনায় গ্রামের মানুষকেই কেন বেশি অন্ধকারে থাকতে হবে?

গ্রামের মানুষের ঘরে হয়তো বড় জেনারেটর নেই, আইপিএস নেই, বিদ্যুতের বিকল্প ব্যবস্থা নেই। কৃষক বিদ্যুৎ না পেলে সেচ দিতে পারছেন না। দোকানদার ফ্রিজ চালাতে পারছেন না। শিক্ষার্থীরা পড়তে পারে না। গরমে শিশু ও বয়স্ক মানুষের কষ্ট বাড়ছে। অন্যদিকে শহরের অপেক্ষাকৃত সচ্ছল নাগরিক বিকল্প ব্যবস্থায় কিছুটা হলেও সংকট সামাল দিতে পারেন। এ বৈষম্য শুধু বিদ্যুৎ বণ্টনের সমস্যা নয়, এটি সামাজিক ন্যায়বিচারের প্রশ্নও বটে।

লোডশেডিংয়ে দীর্ঘমেয়াদি ক্ষতিগুলোর একটি হচ্ছে শিল্প ও উৎপাদন খাত। ‎গাজীপুরসহ বিভিন্ন এলাকার শিল্পাঞ্চলগুলোতে বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যাহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। কোথাও এক থেকে দুই ঘণ্টা পরপর বিদ্যুৎ চলে যাচ্ছে। আবার কোথাও দিনে প্রায় ১০ থেকে ১২ ঘণ্টা পর্যন্ত বিদ্যুৎ থাকছে না। একটি কারখানার মেশিন বন্ধ হওয়া মানে শুধু কয়েক ঘণ্টার উৎপাদন বন্ধ হওয়া নয়। এতে শ্রমিকের কর্মঘণ্টা নষ্ট হয়, উৎপাদন পরিকল্পনা ভেঙে পড়ে, সময়মতো পণ্য সরবরাহ করা কঠিন হয়, উৎপাদন ব্যয় বাড়ে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিযোগিতার সক্ষমতা কমে।‎

গ্যাস সংকটে ইতোমধ্যে টেক্সটাইল, স্পিনিং, সিরামিক ও সারশিল্পের মতো খাতগুলো উৎপাদন কমাতে বাধ্য হচ্ছে। ‎বাংলাদেশ যখন রপ্তানি আয় বাড়ানোর কথা বলছে, তখন জ্বালানি সংকটের কারণে উৎপাদনই যদি ব্যাহত হয়, সেটি নিঃসন্দেহে বড় উদ্বেগের বিষয়।

সরকারের পক্ষ থেকে বলা হচ্ছে, এলএনজি টার্মিনালের কারিগরি ত্রুটি সাময়িক এবং মেরামতের পর পরিস্থিতি স্বাভাবিক হবে। সর্বশেষ খবরে তা হওয়ার খবরও মিলেছে। বিদ্যুৎ ও গ্যাস সরবরাহ স্বাভাবিক করার উদ্যোগের কথাও বলা হয়েছে। নিশ্চয় কারিগরি ত্রুটি যেকোনো অবকাঠামোতেই হতে পারে। কিন্তু একটি অবকাঠামোতে সমস্যা হলেই পুরো ব্যবস্থায় বড় ধরনের বিপর্যয় দেখা দিলে প্রশ্ন উঠবে বিকল্প ব্যবস্থা কোথায়? রাষ্ট্রের দায়িত্ব শুধু স্বাভাবিক সময়ে বিদ্যুৎ সরবরাহ করা নয় বরং সংকটের সময় বিকল্প ব্যবস্থা নিশ্চিত করাও রাষ্ট্রের নৈতিক দায়িত্ব।

একটি এলএনজি টার্মিনাল বন্ধ হয়ে গেলে বিকল্প সরবরাহ কোথা থেকে আসবে? বিদ্যুৎকেন্দ্রগুলোর জন্য বিকল্প জ্বালানি কতটা প্রস্তুত আছে? কোন খাতে কতটা বিদ্যুৎ কম দিতে হবে তার ন্যায্য ও স্বচ্ছ পরিকল্পনা কোথায়? এসব প্রশ্নের উত্তর রাষ্ট্রের জনগণকে জানাতে হবে।

দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন কমছে এই বাস্তবতা এখন আর গোপন নয়। সাম্প্রতিক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দেশে গ্যাস উৎপাদন বছরে গড়ে ১৫০ মিলিয়ন ঘনফুটের বেশি হারে কমছে। একই সঙ্গে এলএনজি আমদানির ওপর নির্ভরতা বাড়ছে।

সরকারও স্বীকার করছে, সস্তা দেশীয় গ্যাসের যুগ শেষের দিকে এবং ভবিষ্যতে এলএনজি আমদানির ওপর বাংলাদেশকে নির্ভর করতে হবে। একই সঙ্গে নতুন এলএনজি অবকাঠামো, দেশীয় তেল-গ্যাস অনুসন্ধান ও নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলা হয়েছে। এটি বাস্তবতার স্বীকৃতি হতে পারে, কিন্তু যথেষ্ট নয়। কারণ এলএনজি আন্তর্জাতিক বাজারের দামের সঙ্গে যুক্ত। বৈদেশিক মুদ্রার ওপর চাপ তৈরি হলে আমদানি ব্যয় বাড়বে। আন্তর্জাতিক ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতি বদলালে সরবরাহ ঝুঁকিতে পড়তে পারে। ফলে জ্বালানি নিরাপত্তা শুধু আমদানি বাড়িয়ে নিশ্চিত করা যাবে না।

দেশীয় গ্যাস অনুসন্ধানকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দিতে হবে। একই সঙ্গে সৌরবিদ্যুৎসহ নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বাড়াতে হবে। বিদ্যুৎ সংরক্ষণের প্রযুক্তি ও আধুনিক গ্রিড ব্যবস্থাপনায় বিনিয়োগ বাড়াতে হবে। 

পরিকল্পনার ভুলের দায় জনগণ কেন নেবে? সবচেয়ে কঠিন প্রশ্নটি এখানেই। একটি বিদ্যুৎকেন্দ্র বানাতে বিপুল পরিমাণ অর্থ ব্যয় করা হলো। কিন্তু পরে দেখা গেলো সেটি চালানোর মতো জ্বালানি নেই। কোথাও গ্যাস আছে, বিদ্যুৎকেন্দ্র নেই। কোথাও বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে কিন্তু সঞ্চালনব্যবস্থা দুর্বল। কোথাও বিদ্যুৎ উৎপাদন সম্ভব কিন্তু বিতরণব্যবস্থায় সমস্যা। এভাবে বিচ্ছিন্নভাবে অবকাঠামো নির্মাণ করে বিদ্যুৎনিরাপত্তা নিশ্চিত করা যায় না।

বিদ্যুৎ, গ্যাস, জ্বালানি আমদানি, সঞ্চালন ও বিতরণ সবকিছুকে একটি সমন্বিত জাতীয় পরিকল্পনার মধ্যে আনতে হবে। আর সেই পরিকল্পনার হিসাব জনগণের সামনে থাকতে হবে। কয়টি বিদ্যুৎকেন্দ্র আছে, কতটি চলছে, কতটি বন্ধ, কেন বন্ধ, কোন কেন্দ্র কত দামে বিদ্যুৎ উৎপাদন করছে, কোন কেন্দ্রকে কত অর্থ দেওয়া হচ্ছে এসব তথ্য আরও স্বচ্ছ হওয়া প্রয়োজন।

সংকটের সময় লোডশেডিং করতেই হলে সেটিরও একটি ন্যায্য নীতি থাকা প্রয়োজন। শুধু গ্রামের মানুষকে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অন্ধকারে রেখে শহরকে তুলনামূলক স্বস্তিতে রাখা কোনো ন্যায়সংগত ব্যবস্থা হতে পারে না। হাসপাতাল, পানি সরবরাহ, কৃষি, জরুরি সেবা এবং গুরুত্বপূর্ণ শিল্পকে অগ্রাধিকার দিতে হবে। একই সঙ্গে কোন এলাকায় কখন বিদ্যুৎ থাকবে না তার বাস্তবসম্মত সূচি প্রকাশ করতে হবে। দেশের মানুষকে অন্ধকারে রাখা যতটা কষ্টের, অনিশ্চয়তায় রাখা তার চেয়েও বেশি কষ্টের।

বর্তমান সংকট থেকে সরকারের প্রথম শিক্ষা হওয়া উচিত বিদ্যুৎ উৎপাদনের পরিসংখ্যান দিয়ে বিদ্যুৎনিরাপত্তা বিচার করা যায় না। মানুষ বিদ্যুৎকেন্দ্রের সংখ্যা চায় না। জনগণ নির্ভরযোগ্য বিদ্যুৎ চায়। শিল্পোদ্যোক্তা বিদ্যুৎ উৎপাদনের সক্ষমতা জানতে চাই না। তিনি চাই তার কারখানা কখন বন্ধ হবে না, সেটি নিশ্চিত করতে। কৃষক বিদ্যুৎকেন্দ্রের মেগাওয়াট জানতে চান না। তিনি চান সেচের সময় বিদ্যুৎ পাওয়া যাক। শিক্ষার্থী বিদ্যুৎ খাতের সাফল্যের প্রচার শুনতে চায় না। সে চায় রাতে পড়ার টেবিলে বৈদ্যুতিক আলো জ্বলুক। এই সহজ সত্যটি নীতিনির্ধারকদের বুঝতে হবে।

বর্তমান লোডশেডিং শুধু বিদ্যুৎ মন্ত্রণালয়ের সমস্যা নয়। এটি অর্থনীতি, শিল্প, কৃষি, শিক্ষা ও জনজীবনের সমস্যা। এ সংকটের জন্য একটি সমন্বিত ও দীর্ঘমেয়াদি সমাধান প্রয়োজন। বিদ্যুৎ খাতে খণ্ডিত সিদ্ধান্ত, সাময়িক ব্যবস্থা ও সংকট দেখা দিলে তৎপর হওয়ার সংস্কৃতি চলতে পারে না। প্রয়োজন পূর্বপরিকল্পনা, জ্বালানি নিরাপত্তা, দেশীয় অনুসন্ধান, নবায়নযোগ্য জ্বালানিতে বিনিয়োগ, আধুনিক গ্রিড এবং সর্বোপরি জবাবদিহি। মানুষের ঘরে অন্ধকার নামতেই পারে। কিন্তু রাষ্ট্রের পরিকল্পনায় যেন অন্ধকার না থাকে।

আজকের লোডশেডিংকে যদি শুধু একটি সাময়িক দুর্ভোগ হিসেবে দেখা হয় তাহলে ভবিষ্যতে আরও বড় সংকটের জন্য আমাদের প্রস্তুত থাকতে হবে। আর যদি এটিকে সতর্কবার্তা হিসেবে নেওয়া হয় তাহলে এখান থেকেই বিদ্যুৎ ও জ্বালানি খাতের প্রয়োজনীয় সংস্কারের শুরু হতে পারে। কারণ একটি দেশের উন্নয়ন শুধু কত মেগাওয়াট বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে তার ওপর নির্ভর করে না। উন্নয়নের প্রকৃত পরীক্ষা হলো সেই বিদ্যুৎ কতটা নির্ভরযোগ্যভাবে মানুষের ঘরে পৌঁছায়। 

দেশের মানুষ আর প্রতিশ্রুতির আলো চায় না। জনগণ চায় ঘরে বিদ্যুৎ, কৃষিতে বিদ্যুৎ, শিল্পে বিদ্যুৎ, শিক্ষায় বিদ্যুৎ, জনতা চায় নিরবচ্ছিন্ন ও ন্যায্য বিদ্যুৎ সরবরাহ। এই দাবি কোনো অনুগ্রহ নয় বরং এটি রাষ্ট্রের নাগরিকের ন্যায্য অধিকার।

লেখক: সাংবাদিক ও সাহিত্যিক। 

বাংলাদেশের খবর/আরইউ

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন