জাতিসংঘের নিরাপত্তা কাঠামোয় পরিবর্তনের দাবি উঠছে
অলোক আচার্য
প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭:৩১
অলোক আচার্য, ছবি: সংগৃহীত
নিরাপত্তা পরিষদের সদস্য হিসেবে স্থায়ী পাঁচ দেশ যথা- চীন, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া, ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য এবং অস্থায়ী সদস্য হিসেবে ১০টি দেশ দুই বছরের জন্য নির্বাচিত হয়। একই কাঠামোতে চলছে অনেক বছর ধরে। সময়ের সাথে সাথে নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য দেশের কাতারে আরও কয়েকটি দেশ যোগ করার আলোচনা দীর্ঘদিন ধরেই চলছে।
স্থায়ী সদস্য দেশগুলোর রয়েছে ভেটো প্রদানের এক ক্ষমতা। যার অর্থ আমি মানি না। যদি কোনো প্রস্তাবের পক্ষে স্থায়ী সদস্য একজনও ভেটো প্রদান করে তাহলেই সেই কার্যক্রম থমকে যাবে। সেখানেও প্রশ্ন উঠেছে, এই পদ্ধতির কোনো পরিবর্তন আনা হবে কি না। স্থায়ী সদস্য হিসেবে ভারত বহু বছর ধরেই প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এবার জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের পক্ষে জোরালো সমর্থন জানিয়েছে রাশিয়া। পাশাপাশি এশিয়া, আফ্রিকা ও লাতিন আমেরিকার প্রতিনিধিত্ব বাড়ানোর আহ্বান জানিয়েছে দেশটি।
নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনে দেওয়া ভাষণে রুশ পররাষ্ট্রমন্ত্রী সের্গেই লাভরভ বলেন, নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্যপদের জন্য ভারত ও ব্রাজিলের প্রার্থিতাকে সমর্থন করে রাশিয়া। রাশিয়ার পাশাপাশি মরিশাসও নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে মরিশাসের পররাষ্ট্রমন্ত্রী ধনঞ্জয় রামফুল ভারতের প্রার্থিতার প্রতি স্পষ্ট সমর্থন ব্যক্ত করেন। নিরাপত্তা পরিষদের কাঠামো পরিবর্তন করতে জাতিসংঘ সনদ সংশোধন প্রয়োজন। এর জন্য সাধারণ পরিষদে দুই-তৃতীয়াংশ ভোট এবং দুই-তৃতীয়াংশ সদস্যরাষ্ট্রের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন দরকার। এ অনুমোদনের মধ্যে পাঁচ স্থায়ী সদস্যের প্রত্যেকের অনুমোদনও থাকতে হবে। ভারতকে অন্তর্ভুক্ত করার তীব্র বিরোধিতা করে আসছে রাশিয়ার ঘনিষ্ঠ কৌশলগত অংশীদার চীন। জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদে ভারতের স্থায়ী সদস্যপদের দাবির প্রতি সমর্থন জানিয়েছে ইউরোপের চার দেশ- পোল্যান্ড, হাঙ্গেরি, স্লোভাকিয়া ও চেক প্রজাতন্ত্র। নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে প্রথমবারের মতো অনুষ্ঠিত ভারত-ভিশেগ্রাদ গ্রুপের পররাষ্ট্রমন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে এ সমর্থন জানানো হয়। কিন্তু সিস্টেমটা এমনই শক্ত যে পাঁচ দেশের প্রতিটি দেশেরই সমর্থন প্রয়োজন হবে। ফলে আপাতত সেটি সম্ভব হবে না। এখন যখনই শুধু ভারত নয়, আরও কয়েকটি দেশের নিরাপত্তা পরিষদের স্থায়ী সদস্য হিসেবে সদস্য প্রদানের দাবী রয়েছে। সেক্ষেত্রে পরিবর্তন করতে হবে বহু বছর ধরে চলে নিয়মতান্ত্রিক কাঠামোর। এখন প্রশ্ন উঠেছে জাতিসংঘের কার্যকারিতা এবং বৈশ্বিক শান্তি ও শৃঙ্খলা ফেরাতে সংস্থাটির ভূমিকা কতটা শক্তিশালী। সাম্প্রতিক যুদ্ধ, সাম্প্রতিক অর্থনৈতিক টানাপোড়ন এবং কূটনৈতিক প্রতিযোগিতা এসব ক্ষেত্রেই জাতিসংঘের ভূমিকা যথেষ্ট নয় বলে মন হয়।
সভ্যতা গতিশীল হওয়ার পর থেকে পৃথিবী মূলত কখনো শান্ত ছিল না। এক দেশের সাথে অন্য দেশের যুদ্ধ, দখল এসব ঘটনা ইতিহাসের স্বাক্ষী। ইতিহাসের স্বাক্ষী হয়ে আছে বিশ্ব জয় করার স্বপ্ন দেখা রাজা-মহারাজারা। তাতে লাখ-লাখ মানুষের প্রাণ গেছে, নদীর জল মানুষের রক্তে লাল হয়েছে কিন্তু রক্ত নিয়ে খেলার ইতিহাস পরিবর্তন হয়নি একফোঁটাও। উল্টো মানুষ ছুটেছে ভয়ংকর অস্ত্রের পেছনে। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পরেই মানুষ বিশ্বযুদ্ধ শব্দটির সাথে পরিচিত হয় এবং সেই সাথে বিশ্ব যাতে এ ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি না হয় সেজন্য একতাবদ্ধ হয়। ১৯৪৫ সালের ২৪ অক্টোবর জাতিসংঘ গঠিত হওয়ার পর থেকে বিশ্বের শান্তি রক্ষায় অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে চলেছে। বিশ্বকে ক্ষুধামুক্ত করার লক্ষ্যে কাজ করছে। শিশুশ্রম, বাল্যবিয়ের মতো সামাজিক উন্নয়নের অন্তরায় দূরীকরণে জাতিসংঘের ভূমিকা প্রশংসনীয়। এটিই বর্তমান বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী আন্তর্জাতিক সংগঠন। বহু সমস্যার বিরুদ্ধে কাজ করলেও বর্তমান প্রেক্ষাপটে জাতিসংঘ অতি জরুরি হলেও কিছু বিষয়ের সমস্যার সমাধান করতে পারছে না। এর কারণ হলো যাদের একত্রিত হয়ে এসব সমস্যার সমাধান করার কথা তারা ঐক্যমতে পৌঁছাতে পুরোপুরি ব্যর্থ হয়েছে বা হচ্ছে। অথচ এসব ঘটনা পৃথিবীতে মানবতার বিরুদ্ধে কাজ করছে। জাতিসংঘ গঠনের প্রেক্ষাপট ছিল মূলত বিশ্বের শান্তি রক্ষা করার পাশাপাশি বিশ্বকে নিরাপদ করে গড়ে তোলা, ক্ষুধা, দারিদ্র হ্রাস, শিক্ষা প্রভৃতি ক্ষেত্রে দেশগুলোকে সহায়তা করা। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য গঠিত হয় জাতিপুঞ্জ। কিন্তু যখন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হলো তখন বোঝা গেলো শান্তি প্রতিষ্ঠায় ভিন্ন কিছু প্রয়োজন। জাতিপুঞ্জ এক্ষেত্রে যথেষ্ট নয়। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৩২ তম প্রেসিডেন্ট ফ্রাঙ্কলিন ডি রুজভেল্ট জাতিসংঘ গঠনের প্রস্তাব দেন। বর্তমানে বিভিন্ন সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে জাতিসংঘ শান্তিরক্ষী বাহিনী অত্যন্ত দক্ষতার সাথে শান্তি রক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। কিন্তু বর্তমান বিশ্ব দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর যেকোনো সময়ের তুলনায় অনেক বেশি চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি। জাতিসংঘের স্থায়ী পাঁচ সদস্য রাষ্ট্র হলো- রাশিয়া, যুক্তরাষ্ট্র, যুক্তরাজ্য, ফ্রান্স ও চীন। এই পাঁচটি দেশই জাতিসংঘের সর্বময় কর্তা এবং যেহেতু রাষ্ট্রগুলোর মধ্যে কৌশলগত দুরত্ব রয়েছে ফলে ঐক্যমতে পৌঁছানো এখন দূর স্বপ্ন বলেই মন হয়।
বিশ্বে পরাশক্তি বলতে এসব দেশই প্রধান। আবার বিভক্তি বা বলয় বলতেও কিন্তু এসব দেশই। এই দেশগুলো যদি একভাবে চলতো তাহলে পৃথিবীর চেহারা অন্যরকম হতো। উঠতি পরাশক্তি হিসেবে দক্ষিণ এশিয়ায় ভারতও উঠে আসছে। চীন, রাশিয়া এবং পশ্চিমা তিন দেশ, এই সমীকরণে কোনো মতেই ঐক্যমত হতে পারে না। জাতিসংঘের পৃথিবীর সমস্যাগুলো সমাধান করতে বেগ পেতে হতো না। একটি যুদ্ধমুক্ত এবং সবার অধিকার নিশ্চিতে যে লক্ষ্য জাতিসংঘে এদের রয়েছে বর্তমান বিশ্ব পরিস্থিতির সাথে তার কোনো মিল নেই। উপরন্তু যুদ্ধের কারণে পুরো বিশ্ব এখন নাজেহাল অবস্থা। বাদ যায়নি এসব উন্নত দেশও! আর সব মিলিয়ে তো আগামী বছর খাদ্য সংকট তীব্র হওয়ারও আশঙ্কা। এতকিছু সত্ত্বেও এই রেষারেষি শেষ হচ্ছে না। অস্ত্র ব্যবসা বিশ্বের অন্যতম লাভজনক ব্যবসা! যুদ্ধ মানেই গাদাগাদা অস্ত্র উৎপাদন ও বিক্রি করা। যে দেশের অস্ত্র যত আধুনিক সেদেশের তত লাভ! রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ বিশ্ব রাজনীতির বহু হিসাব-নিকাশ বদলে দিয়েছে। বদলে দিয়েছে অর্থনীতি, সামরিক সক্ষমতার হিসাব। এই যুদ্ধ পুরোমাত্রায় চলছে। যুদ্ধ যে মূলত দীর্ঘায়িত হতে যাচ্ছে সে অনুমান করা যায় এই যুদ্ধ শুরুর পর ইসরায়েলের সাথে হামাসের যুদ্ধ এবং ইসরায়েলের সাথে হিজবুল্লাহর নতুন সংঘাত মধ্যপ্রাচ্যকেই এবং পুরো বিশ্বকেই হুমকিতে ফেলেছে। সেক্ষেত্রে বৈশ্বিক রাজনীতিতে আরও পরিবর্তন ঘটবে। আসতে পারে নতুন জোট। সময়ের সাথে সাথে নতুন নতুন জোট গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তা দেখা দেয়। বিশেষ করে এই যুদ্ধের শুরু হওয়ার পর জোটের গুরুত্ব বেড়েছে। আবার জোটের গুরুত্ব যেমন প্রসারিত হয়েছে সেভাবেই সমমনা দেশগুলোও নিজেদের অস্তিত্ব, স্বার্থ এবং নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বিগ্ন হয়ে উঠেছে। ফলে এ ধরনের পরিস্থিতিতে নিজেকে নিরাপদ করাতে একাধিক দেশ জোটবদ্ধ হচ্ছে বা হতে পারে। এখন জোট গঠনের উদ্দেশ্য বাণিজ্যিক স্বার্থ রক্ষার সাথে সাথে নিরাপত্তা জোরদার করা এবং আঞ্চলিক নিরাপত্তা রক্ষা করা। বর্তমান বিশ্বে সামরিক শক্তি, অর্থনৈতিক সক্ষমতা এবং অন্যান্য দিক মিলিয়ে আমেরিকা বিশ্বের পরাশক্তিগুলোর মধ্যে এখনো এককভাবেই প্রভাবশালী বলে স্বীকার করতে হয়। বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় সামরিক খাতে নতুন নতুন অস্ত্র যোগ করা এবং বিশ্ব প্রতিযোগিতায় নিজেকে উপযুক্ত করে গড়ে তোলা এখন প্রতিযোগিতামূলক বিশ্বের প্রবণতা এবং এই প্রবণতা থেকেই এক দেশ অন্য পরাশক্তিকে মোকাবেলায় জোটবদ্ধ অবস্থান গড়ে তুলছে।
বিভিন্ন কারণেই বিশ্বে আশ্রয়হীন মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। মিয়ানমার থেকে রোহিঙ্গারা বিতাড়িত হলেও এবং এর কয়েক বছর পেরিয়ে গেলেও তাদের নিজ বাসভূমে ফেরত পাঠানো যায়নি। মিয়ানমারকে রোহিঙ্গাদের ফিরিয়ে নিতে কৌশলগতভাবে চাপ প্রয়োগ করতে হবে। কিন্তু সেভাবে তা সম্ভব হয়নি। যদিও কিছু পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে কিন্তু তাতে খুব বেশি অগ্রগতি হয়নি। আবার যুদ্ধ বন্ধেও কোনো অগ্রগতি হয়নি। একজন পক্ষে ভোট দেয় তো অন্যজন বিপক্ষে। এভাবেই চলছে। মূলত পৃথিবীটা চলছে স্বার্থের খেলায়। জাতিসংঘ বিশ্বের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ ফেরাতে উদ্যোগী হলেও বহুক্ষেত্রে কার্যকরী ভূমিকা নিতে পারছে না। এক্ষেত্রে পরাশক্তিদেশগুলো প্রধান নিয়ামক হিসেবে কাজ করছে। যুক্তরাষ্ট্রের সাথে মনস্তাত্তিক দ্বন্দ্ব চলে আসছে রাশিয়া ও চীনের। জাতিসংঘে সবাই একসাথে একটি সমস্যার সমাধান চাইছে না বরং বিভক্ত হয়ে পরছে। একপক্ষ একদিকে তো অন্যপক্ষ অন্যদিকে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ, রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসন, উইঘর মুসলমান নির্যাতন ইত্যাদি বহু বিষয়েই জাতিসংঘ এখনো কোনো সমাধান করতে পারছে না। কারণ এখানে দ্বন্দ্ব মূলত বিশ্বে আধিপত্য ধরে রাখার এবং বিস্তার করার। যুক্তরাষ্ট্র বহু বছর ধরেই পৃথিবীতে প্রায় একক আধিপত্য ধরে রেখেছে এবং চীন সেই পথে বর্তমান সময়ে অনেকটাই অগ্রসর হয়েছে। রাশিয়া ও চীন এক বলয়ে অবস্থান করছে। পশ্চিমা জোট অন্যদিকে। চীনের বৈশ্বিক ক্ষমতায়নের মোকাবেলায় যুক্তরাষ্ট্র কয়েকটি কৌশল নিয়ে অগ্রসর হচ্ছে। অনেকেই বিষয়টিকে স্নায়ুযুদ্ধের সূচনা বলছেন।
এশিয়ায় শক্তিমত্তা বাড়িয়ে চলেছে চীন ও ভারত। চীন স্থায়ী সদস্য দেশ হলেও ভারত হতে পারছে না। এই কাঠামোর পরিবর্তন করা আবশ্যক। স্থায়ী নিরাপত্তার দেশের সংখ্যা সময়ের চাহিদায় বৃদ্ধি করা দরকার, কিছুটা নিয়মেরও। একটি দেশ ভেটো দিয়ে আটকে যাওয়া মানে সমস্যার তৈরি হয়। বাস্তবতাটা হলো সংখ্যা গরিষ্ঠর মতামতেই এটা হওয়া উচিত। এশিয়ায় নিজেদের প্রভাব বাড়াতে এবং যুক্তরাষ্ট্রের হুমকি মোকাবিলায় শিজিনপিংয়ের মেয়াদকালের শুরু থেকেই সামরিক সক্ষমতা বাড়ানোর ওপর জোর দিতে শুরু করে চীন। ফলে রাশিয়ার সাথে সাথে এখন যুক্তরাষ্ট্রকে চীনকে নিয়েও ভাবতে হচ্ছে। রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধে চোখ রাঙাচ্ছে পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহার। ক্রমশই পারমাণবিক অস্ত্রের হুমকির দিকে পৃথিবী এগিয়ে যাচ্ছে। বলা যায়, দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর এই প্রথম পারমাণবিক অস্ত্রের ব্যবহারের মারাত্মক ঝুঁকির দিকে এগিয়ে যাচ্ছে পৃথিবী। যদি এই অস্ত্রের প্রয়োগ শুরু হয় তাহলে কোনোভাবেই বিশ্বের ধ্বংস থেকে আটকানো যাবে না। যুদ্ধ থামাবে কে? জাতিসংঘকে এক্ষেত্রে কার্যকর উদ্যোগ নিতেই হবে। যুদ্ধ-বিগ্রহ বিরোধী এই সংগঠনকে সবার আগে কার্যকর ভূমিকা পালন করতে হবে। আর তা না হলে পৃথিবীর পরিণতির দায় থেকে জাতিসংঘও বাদ যাবে না।
লেখক: প্রাবন্ধিক ও কলামিস্ট।
বাংলাদেশের খবর/আরইউ

