Logo

রাজনীতি

জুলাই সনদ, গণভোট ও নির্বাচন নিয়ে উত্তাপ

Icon

নিজস্ব প্রতিবেদক

প্রকাশ: ০১ নভেম্বর ২০২৫, ০৯:০১

জুলাই সনদ, গণভোট ও নির্বাচন নিয়ে উত্তাপ
  • বিশ্বাসঘাতকতা হয়েছে, নির্বাচনের দিকে এগোন: মির্জা ফখরুল
  • নির্বাচন ১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই হবে: শফিকুল আলম
  • বিএনপি সংস্কার প্রস্তাব না মানলে দায়িত্বহীনতার পরিচয় দেবে : তাহের 

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন ঘিরে দেশের রাজনীতি নতুন করে উত্তপ্ত হয়ে উঠেছে। গণভোট জাতীয় নির্বাচনের আগে হবে নাকি একই দিনে- এই প্রশ্নে রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে গভীর মতভেদ দেখা দিয়েছে। বিএনপি বলছে, গণভোট জাতীয় নির্বাচনের দিনেই হতে হবে, অন্যদিকে জামায়াতে ইসলামী, ইসলামী আন্দোলনসহ আটটি দল নভেম্বরের মধ্যেই গণভোট আয়োজনের দাবি তুলেছে। জাতীয় ঐকমত্য কমিশন সুনির্দিষ্ট তারিখ না দিয়ে সরকারকে সিদ্ধান্ত নিতে বলায় অন্তর্বর্তী সরকার এখন রাজনৈতিক চাপের মুখে পড়েছে। 

বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর অভিযোগ করেছেন, অন্তর্বর্তী সরকার ও ঐকমত্য কমিশন জনগণের সঙ্গে ‘বিশ্বাসঘাতকতা’ করেছে। অন্যদিকে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, যেকোনো সিদ্ধান্তই হোক না কেন, নির্বাচন ১৫ ফেব্রুয়ারির আগেই অনুষ্ঠিত হবে। 

জামায়াতের নায়েবে আমির মিয়া আব্দুল্লাহ তাহের বিএনপি সংস্কার প্রস্তাব না মানলে দায়িত্বহীনতার পরিচয় দেবে বলে সতর্ক করেছেন, আর জামায়াতের সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার নভেম্বরের মধ্যে গণভোটের দাবি জানিয়েছেন।

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ জানিয়েছে, সংস্কারের বিপক্ষে যারা অবস্থান নেবে, তাদের সঙ্গে দলটির দূরত্ব তৈরি হবে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকেরা বলছেন, জুলাই সনদ ও গণভোট ইস্যুতে এ বিভাজন নির্বাচনের সময় ও বিশ্বাসযোগ্যতার ওপর সরাসরি প্রভাব ফেলতে পারে। ফলে জুলাই সনদ বাস্তবায়ন স্থিতিশীলতা আনার বদলে বরং নতুন রাজনৈতিক উত্তেজনা উসকে দিয়েছে।

বিশ্বাসঘাতকতা হয়েছে, দ্রুত নির্বাচনের দিকে এগোন-মির্জা ফখরুল: বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, অন্তর্বর্তী সরকার, জাতীয় ঐকমত্য কমিশন দেশ ও জনগণের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।

গতকাল শুক্রবার জাতীয় প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন মির্জা ফখরুল। জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দলের (জেএসডি) ৫৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।

বিএনপি মহাসচিব বলেন, দেখা গেল, যখন এটি (সুপারিশ) তারা (জাতীয় ঐকমত্য কমিশন) উপস্থাপন করল অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কাছে, তখন সেটিতে অনেক পার্থক্য। বিশেষ করে আমরা যে নোট অব ডিসেন্টগুলো দিয়েছিলাম, সেগুলো যেন সুপারিশে উল্লেখ করা হয়, তেমনটি বলেছিলাম। এ ব্যাপারে আমরা আস্থা-বিশ্বাস রেখেছিলাম। কিন্তু সেই আস্থা, বিশ্বাসের সঙ্গে তারা বিশ্বাসঘাতকতা করেছে। জনগণের সঙ্গে প্রতারণা করেছে।

বিএনপির মহাসচিব বলেন, ‘আমাদের মতভেদ থাকলেও মূল যে সনদ, সেই সনদে আমরা স্বাক্ষর করেছিলাম। এটিই নিয়ম যে, আমরা যদি নির্বাচনের মধ্য দিয়ে ক্ষমতায় যাই, মানুষ যদি আমাদের ভোট দেয়, তাহলে আমরা সেই বিষয়গুলো আবার সামনে নিয়ে আসব। সেটিকে আমরা পার্লামেন্টে পাস করে দেশের যে পরিবর্তন, সেই পরিবর্তন নিয়ে আসব।’

আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচন বিলম্বিত করার জন্য একটি মহল উঠেপড়ে লেগেছে বলে মন্তব্য করেন বিএনপির মহাসচিব। তিনি বলেন, গণভোট নির্বাচনের আগে করার কোনো সুযোগ এখন আর নেই। গণভোট নির্বাচনের দিনই হবে, সে কথা তারা পরিষ্কার করে বলেছেন। সেখানে দুটো ব্যালট থাকবে- একটি গণভোটের জন্য, আরেকটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনের জন্য।

এদিকে বিকালে রাজধানীর ইঞ্জিনিয়ার্স ইনস্টিটিউশন মিলনায়তনে গণসংহতি আন্দোলনের জাতীয় সম্মেলনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে কথা বলেন মির্জা ফখরুল। অনুষ্ঠানে জুলাই জাতীয় সনদ ও তা বাস্তবায়নের সুপারিশ নিয়ে যে বিতর্ক তৈরি হয়েছে, তার অবসান ঘটিয়ে সংসদ নির্বাচন আয়োজনের দিকে মনোযোগী হতে অন্তর্বর্তী সরকারকে আহ্বান জানান তিনি।

সরকারের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘যা হওয়ার হয়ে গেছে। আপনারা দয়া করে ওই সমস্যাগুলো সমাধান করে যাতে সবাই একসঙ্গে আমরা নির্বাচনের দিকে যেতে পারি, এই সমস্যার সমাধান করে আমরা জনগণের কল্যাণের জন্য কাজ করতে পারি, সেই পথে এগিয়ে চলুন।’

দেশ গভীর সংকটে রয়েছে-মাহমুদুর রহমান মান্না: বর্তমানে দেশ গভীর সংকটে রয়েছে বলে মন্তব্য করেন নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না। জাতীয় প্রেসক্লাবে জেএসডির প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার দেশের মানুষের সঙ্গে প্রতারণা করছে। ভবিষ্যতে যে সরকার নির্বাচন আয়োজন করবে, সেই সরকার যদি প্রতারক হয়, তাহলে আর কী করার আছে বলে হতাশা প্রকাশ করেন তিনি।

মাহমুদুর রহমান মান্না মনে করেন, নির্বাচনের আগে গণভোট আয়োজনের মতো পরিস্থিতি বর্তমানে দেশে নেই। দেশের বর্তমান সংকট থেকে উত্তরণের একমাত্র উপায় হলো, দ্রুত সময়ে নির্বাচন আয়োজন করা।

নির্বাচন ১৫ ফেব্রুয়ারির আগে হবে, কোনো শক্তি নেই এটিকে পেছানোর- শফিকুল আলম: প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম বলেছেন, ‘গণভোট ইস্যুতে প্রধান উপদেষ্টা সিদ্ধান্ত নেবেন। যেকোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হোক না কেন, নির্বাচন ১৫ ফেব্রুয়ারির আগে হবে। কোনো শক্তি নেই এটিকে পেছানোর।’

শুক্রবার দুপুরে নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘জুলাই কন্যা ফাউন্ডেশন’ আয়োজিত একটি অনুষ্ঠানের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণ শেষে গণমাধ্যমে তিনি এসব কথা বলেন। প্রেস সচিব বলেন, ‘বিভিন্ন রাজনৈতিক দল তাদের মতের কথা বলছেন। আমরা এটিকে হুমকি হিসেবে দেখছি না। যেটি সবচেয়ে উত্তম, সেটিই প্রধান উপদেষ্টা করবেন। 

বিএনপি সংস্কার প্রস্তাব না মানলে দায়িত্বহীনতার পরিচয় দেবে-তাহের: বিএনপি সংস্কার প্রস্তাব না মানলে দায়িত্বহীনতার পরিচয় দেবে বলে মন্তব্য করেছেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের। তিনি বলেছেন, ‘বিএনপি যদি সংস্কার প্রস্তাব না মানে তবে এটা হবে তাদের দায়িত্বহীনতার পরিচয়। নতুন করে রাজনৈতিক সংকট তৈরির অপপ্রয়াস ও ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচন সম্পর্কে জনগণের মাঝে সংশয় তৈরির অপপ্রয়াস।’

শুক্রবার কুমিল্লায় নিজ নির্বাচনী এলাকা চৌদ্দগ্রামের নির্বাচন কেন্দ্র পরিচালক সমাবেশ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘যদি নির্বাচন না হয়, তাহলে যারা পালিয়ে গিয়ে ভারতে বসে ষড়যন্ত্র করছে, তারাই সুযোগ নেবে। বিগত সরকারের যে বাংলাদেশ, সংস্কারবিহীন যে বাংলাদেশ, মনে হয় বিএনপি সেই জায়গায় ফিরে যেতে চায়। বাংলাদেশকে আওয়ামী জাহেলিয়াতের দিকে ফিরে যেতে এদেশের মানুষ দেবে না।

জামায়াতের এই নেতা আরো বলেন, ‘সিদ্ধান্ত থেকে যদি সরকার সরে যায়, তাহলে এটা পরিষ্কার হবে যে, সরকার আর নিরপেক্ষ নেই। এ সরকার যদি নিরপেক্ষতা হারায় এবং কোনো দলের প্রতি যদি আনুগত্য প্রকাশ করে এ সরকারের অধীনে সুষ্ঠু নির্বাচন হওয়া নিয়ে আশঙ্কা তৈরি হবে।’

জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আর নভেম্বরে গণভোটের দাবি মিয়া গোলাম পরওয়ারের: জুলাই সনদ বাস্তবায়ন আর নভেম্বরে গণভোট করে আগামী ফেব্রুয়ারিতে জাতীয় নির্বাচন দাবি করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল ও সাবেক এমপি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।

শুক্রবার সকালে ডুমুরিয়া স্বাধীনতা চত্বরে জামায়াতে ইসলামীর ডুমুরিয়া উপজেলা সনাতন শাখা আয়োজিত হিন্দু সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

প্রধান অতিথি আরো বলেন, ইসলামী সরকার এখন সময়ের দাবি। যারা দাঁড়িপাল্লার উত্থান দেখে ভয় দেখাচ্ছে, হিন্দুরা আর তাদের ভয় পাবে না। কেউ বাধা দিলে জনগণ প্রতিরোধ গড়ে তুলবে।

তিনি বলেন, যারা ৫৪ বছর দেশ চালিয়েছে তারা সন্ত্রাস, দখলদারি ও চাঁদাবাজির মাধ্যমে হিন্দুদের শোষণ করেছে। জামায়াত ক্ষমতায় গেলে এসব নির্মূল করা হবে। দেশের মানুষ পরিবর্তন চায়, আমরাও সেই পরিবর্তনের পথেই আছি।

সংস্কারের বিপক্ষে যারা তাদের সঙ্গে এনসিপির দূরত্ব তৈরি হবে-হাসনাত আবদুল্লাহ: জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেছেন, মূলত সংস্কারের পক্ষে যারা থাকবে, এনসিপির সঙ্গে তাদের হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্ক থাকবে। এই সংস্কারের বিপক্ষে যারা অবস্থান নেবেন, এনসিপির সঙ্গে তাদের দূরত্ব তৈরি হবে।

শুক্রবার দুপুরে এনসিপি পিরোজপুর জেলা শাখার সমন্বয় সভা শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, নির্বাচনের আগে আমাদের কিছু কাজ ছিল, সেই কাজগুলো সম্পন্ন হওয়ার একটি প্রক্রিয়ায় আমরা পৌঁছেছি। আপনারা দেখছেন হ্যাঁ-না’র একটি বিষয়। অতএব, সংস্কারগুলোর মৌলিক প্রস্তাবনাগুলোর পক্ষে যারা আছে, তারা বলছেন ‘হ্যাঁ’, আর বিপক্ষে যারা অবস্থান নিয়েছেন বিশেষ করে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রশ্নে, বিশেষ করে এনসিসির প্রশ্নে, দুদককে স্বাধীনভাবে দূর করা হবে কিনা সেই প্রশ্নে এখন তারা হ্যাঁ-না’র মধ্য দিয়ে নিজেদের অবস্থান জানান দিচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, যারা না বলছেন, তাদের একটা বিষয়ে স্পষ্ট যে তারা মৌলিক সংস্কারের বিপক্ষে অবস্থান নিয়েছেন। এখন আমরা আমাদের জায়গা থেকে ‘হ্যাঁ-না’র পাশাপাশি এনসিপির পক্ষ থেকে যে বিষয়টিতে গুরুত্ব দিতে চাচ্ছি, সেটি হচ্ছে অতি দ্রুত এই গণভোট নিয়ে ‘অর্ডার’ হতে হবে, আদেশ দিতে হবে। এই আদেশের আলোচনাটি পাশ কাটিয়ে যাওয়া হচ্ছে। আমরা চাই অতি দ্রুত আদেশের বিষয়টি নিষ্পত্তি হোক। এই আদেশটি কোনো অধ্যাদেশ নয়, কোনো প্রজ্ঞাপন নয়, অবশ্যই আদেশ হতে হবে। 

এই আদেশটি আমাদের এই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে যিনি প্রধান উপদেষ্টা হয়েছেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস, তাকেই জারি করতে হবে। এদিকে বর্তমানে রাজনৈতিক উত্তেজনার বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্র বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক সাব্বির আহমেদ বলেন, জুলাই সনদ বাস্তবায়নের কমিশনের সুপারিশের পর গণভোট নিয়ে বিএনপি ও জামায়াত মুখোমুখী অবস্থানে থাকায় সরকারের উপর চাপ বাড়ছে। এক্ষেত্রে সরকারকে বুঝেশুনে সঠিক সিদ্ধান্ত নিতে হবে। তিনি বলেন, ‘দল দুটির মধ্যে বিভাজন থাকলেও দিনশেষে একটা সমঝোতা হবে। কারণ, দুই দলই নির্বাচন ঝুলিয়ে দিয়ে পতিত আওয়ামী লীগকে সুযোগ করে দিতে চাইবে না। জুলাই গণঅভ্যুত্থানের পর বিএনপিকে নানাক্ষেত্রে চ্যালেঞ্জ করে জামায়াত শক্তির জানান দেওয়ার চেষ্টা করছে।

শেষ পর্যন্ত সমঝোতায় না পৌঁছলে সংকট তৈরির আশঙ্কাও রয়েছে।’

সিনিয়র আইনজীবী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক আনু হেনা রাজ্জাকী বলেন, ‘দলগুলোর বিভাজন থাকলে সরকারের ওপর চাপ বাড়বে এটা স্বাভাভিক। সরকার যেহেতু রেফারির ভূমিকায় রয়েছে তাই প্রকৃত রেফারির কাছে সবাই সঠিকটাই আশা করে। সরকার কারও চাপে বাস্তবতা বদলাতে পারে না। আর নির্বাচনের স্বার্থে বিএনপি ও জামায়াত সমঝোতায় না এলে ভোট ঝুলে যেতে পারে।’

গণভোটে পাস অথবা সরকারি অধ্যাদেশ জারির মাধ্যমে জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি তৈরি না করলে নির্বাচনের বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ রয়েছে বলেও মনে করেন তিনি।

কারণ হিসেবে বললেন, ‘বর্তমান অন্তর্বর্তী সরকার ব্যবস্থা তো সংবিধানে নেই। অর্থাৎ সংবিধান কার্যকর নেই। তাই জুলাই সনদের আইনি ভিত্তি তৈরি করতে অনেকেই গণভোট আগে চাইছেন। যার ভিত্তিতে ভোট হবে। তবে, গণভোটে পাস না হলেও অবশ্য ঝুঁকি আছে।’

বিকেপি/এমবি 

প্রাসঙ্গিক সংবাদ পড়তে নিচের ট্যাগে ক্লিক করুন

বিএনপি বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী সংসদ নির্বাচন

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন