মির্জা ফখরুল
জামায়াত কখনো সরকারে গিয়ে কাজ করেনি, বিএনপি পরীক্ষিত দল
ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি
প্রকাশ: ২৩ জানুয়ারি ২০২৬, ১৮:৩১
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। ছবি : বাংলাদেশের খবর
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের সংসদ সদস্য প্রার্থী ও বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, জামায়াত কখনো সরকারে গিয়ে কাজ করেনি, বিএনপি পরীক্ষিত দল।
শুক্রবার (২৩ জানুয়ারি) বিকেল ৩টা থেকে সদর উপজেলার দেবীপুর ইউনিয়নের শোল টহরী বাজারে শুরু হওয়া নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে গণসংযোগ ও পথসভায় তিনি এসব কথা বলেন।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, উন্নয়ন একমাত্র ধানের শীষ করতে পারবে, আর কেউ করতে পারবে না। আমরা সেই জিয়ার সৈনিক, খালেদা জিয়ার সৈনিক। যাদের আপন ভেবে মানুষ কাঁদে।
ভোটারদের সজাগ করে তিনি বলেন, সামনের মাসে ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচন হবে। একটি দল আপনাদের কাছে ভোট চাইতে আসছে, দাড়িপাল্লার কথা বলছে। তারা কখনো কি সরকারে গেছে? আপনাদের জন্য কোনো কাজ করেছে? করে নাই। আমরা কাজ করেছি। আমরা পরীক্ষিত দল। আপনাদের কাছে ভোট চেয়েছি, আপনারা ভোট দিয়েছেন। আমরা সরকারে গিয়ে আপনাদের জন্য কাজ করেছি।
এ সময় সরকারে থাকাকালীন যেসব উন্নয়ন করেছেন, সেগুলো তুলে ধরে মির্জা ফখরুল বলেন, অতীত অভিজ্ঞতা থেকে বলছি— বিএনপি ছাড়া দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার মতো এখন আর কেউ নেই। তাই সবাই ধানের শীষে ভোট দেবেন।
মির্জা ফখরুল উপস্থিত ভোটারদের কাছে জানতে চান, গত ১৫ বছরে আপনারা কি কেউ ভোট দিতে পেরেছেন? জবাবে ভোটাররা বলেন, পারিনি।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ভোটের আগের রাতেই ভোট হয়ে গেছে, আবার কখনো ভোটটা নিয়ে চলে গেছে। এই ছিল গত ১৫ বছরের চিত্র। এখন একটা সুযোগ আসছে। আমাদের হাসিনা আপা ভারতে চলে গেছেন— চলে গেছেন, ভালো করেছেন। কিন্তু যারা আপনাদের সমর্থন করত, তাদের বিপদে ফেলে গেছেন। আমরা বলছি, যারা নিরপরাধ, তাদের কেউ বিপদে পড়বে না। আমরা আছি তাদের পাশে। যারা অন্যায় করেনি, তাদের কোনো শাস্তি হতে দেব না।
তিনি আরও বলেন, আমি আমার এলাকায় হিন্দু-মুসলমান, বৌদ্ধ ও খ্রিষ্টানসহ সব ধর্মের মানুষের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করি। আমাদের উন্নয়নের জন্য কাজ করি। আমরা সবাইকে সমান নিরাপত্তা দিতে চাই।
মির্জা ফখরুল বলেন, কিছু লোক হিন্দু-মুসলমান ভাগ করতে চায়। কিন্তু আমাদের ভাগ করার কোনো সুযোগ নেই। আমরা হিন্দু-মুসলমান একসঙ্গে বসবাস করি।
আবু সালেহ/এমবি

