Logo

রাজনীতি

‎শর্ত পূরণ করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে দ্রুত এমপিওভুক্ত করার দাবি জামায়াতের ‎

Icon

অনলাইন ডেস্ক

প্রকাশ: ৩০ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৮:৪০

অ
‎শর্ত পূরণ করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে দ্রুত এমপিওভুক্ত করার দাবি জামায়াতের  ‎

‎এমপিওভুক্তির প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোকে দ্রুত এমপিওভুক্ত করার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।

‎দলটির নায়েবে আমির অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেছেন, দীর্ঘদিন শিক্ষকতা করে শেষ জীবনে শূন্য হাতে বিদায় নেওয়া শিক্ষকদের প্রতি সরকারের মানবিক দৃষ্টি দেওয়া উচিত।

‎মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) রাজধানীর মগবাজারে জামায়াতের কেন্দ্রীয় কার্যালয়ে সম্মিলিত নন-এমপিও শিক্ষক ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় কমিটির সঙ্গে বৈঠকে তিনি এসব কথা বলেন।

‎অধ্যাপক মুজিবুর রহমান বলেন, বিএনপি নির্বাচনের আগে ক্ষমতায় গেলে নন-এমপিও শিক্ষকদের এমপিওভুক্ত করার কথা বলেছিল। কিন্তু এখন তা করা হচ্ছে না। নন-এমপিও শিক্ষকরা স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারছেন না। দীর্ঘদিন শিক্ষকতার সঙ্গে যুক্ত থেকে অবসরের সময় খালি হাতে কর্মজীবন শেষ করা অমানবিক।

‎তিনি বলেন, যেসব প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করেছে, সেগুলো দ্রুত এমপিওভুক্ত করা উচিত। শিক্ষকদের যৌক্তিক দাবির প্রতি জামায়াতের সমর্থন রয়েছে।

‎একই সঙ্গে অবসরপ্রাপ্ত যেসব শিক্ষক এখনো ন্যায্য পাওনা পাননি, তাদের পাওনা দ্রুত পরিশোধের আহ্বান জানান তিনি।

‎জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও প্রচার-মিডিয়া বিভাগের সেক্রেটারি অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে বৈষম্য রয়েছে। প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করা প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিওভুক্ত করতে কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া দরকার।

বৈঠকে নন-এমপিও শিক্ষক নেতারা বলেন, অনেক স্কুল ও কলেজ ২৫ থেকে ২৬ বছর ধরে পরিচালিত হলেও এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা বিনা বেতনে কাজ করছেন। তাদের দাবি, প্রায় সাড়ে ৫ হাজার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এখনো এমপিওভুক্ত হয়নি। এর মধ্যে অনেক প্রতিষ্ঠান বন্ধ হওয়ার পথে।

‎তারা বলেন, একটি সুনির্দিষ্ট নীতিমালার ভিত্তিতে যোগ্যতা ও শর্ত পূরণকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রতিষ্ঠানগুলোকে এমপিওভুক্ত করতে হবে। বিগত বিএনপি ও জামায়াত জোট সরকারের সময়ে প্রতিষ্ঠিত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও যাচাই করে যোগ্যতা অনুযায়ী এমপিওভুক্ত করার দাবি জানান তারা।

‎শিক্ষক নেতারা অভিযোগ করেন, নন-এমপিও শিক্ষকদের আর্থিক দুরবস্থা দূর করতে সরকার যথাযথ উদ্যোগ নিচ্ছে না। পরিবার-পরিজনের বঞ্চনা সত্ত্বেও তারা এসব প্রতিষ্ঠান চালিয়ে যাচ্ছেন। এ বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রী ও স্পিকারের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তাদের দাবিগুলো তুলে ধরার উদ্যোগের কথাও জানান তারা।

‎বৈঠকে জামায়াতের কেন্দ্রীয় শিক্ষা বিভাগের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুজিবুর রহমান, অ্যাডভোকেট এহসানুল মাহবুব জুবায়ের এবং সম্মিলিত নন-এমপিও শিক্ষক ঐক্য পরিষদের কেন্দ্রীয় নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

‎

বাংলাদেশের খবর/এইচআর

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন