ইফতার রোজার অন্যতম অনুষঙ্গ। এটি রোজাদারের আনন্দের মুহূর্ত। এ সময় দোয়া কবুল হয়। খেজুর দিয়ে ইফতার শুরু করা রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অভ্যাস ছিল।
হজরত আনাস বিন মালেক (রা.) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ‘নবীজি নামাজের আগে কয়েকটি কাঁচা খেজুর খেয়ে ইফতার করতেন। যদি কাঁচা খেজুর না থাকত, তাহলে শুকনো খেজুর দিয়ে। যদি শুকনো খেজুরও না থাকত তাহলে কয়েক ঢোক পানি দিয়ে ইফতার করতেন।’ (তিরমিজি; রোজা অধ্যায় : ৬৩২)
সময় হলে দ্রুত ইফতার করা নবীজি সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নত। সাহল ইবনে সাদ (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে আছে, রসুল সল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ‘যতদিন মানুষ দ্রুত ইফতার করবে, ততদিন তারা কল্যাণের মধ্যে থাকবে।’ (বুখারি, হাদিস : ১৮২১)
আর ইফতারের পূর্ব মুহূর্তে রাসুল (সা.) এই দোয়া পড়তেন—
بسم الله اَللَّهُمَّ لَكَ صُمْتُ وَ عَلَى رِزْقِكَ اَفْطَرْتُ
(উচ্চারণ: আল্লাহুম্মা লাকা ছুমতু ওয়া আলা রিযক্বিকা ওয়া আফতারতু বিরাহমাতিকা ইয়া আরহামার রাহিমিন)
অর্থ: হে আল্লাহ! আমি তোমারই সন্তুষ্টির জন্য রোজা রেখেছি এবং তোমারই দেওয়া রিজিকের মাধ্যমে ইফতার করছি। (মুয়াজ ইবনে জাহরা থেকে বর্ণিত, আবু দাউদ, হাদিস : ২৩৫৮)
বিএইচ/

