Logo

ধর্ম

সুরা মুলকের আমল ও ফজিলত

Icon

ধর্ম ডেস্ক

প্রকাশ: ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ০৯:১৫

সুরা মুলকের আমল ও ফজিলত

পবিত্র কোরআনের ৬৭তম সূরা হলো সুরা মুলক। এটি ২৯তম পারার শুরুতে অবস্থিত এবং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি সূরা। এর বিশেষ ফজিলতের কথা বহু হাদিসে বর্ণিত হয়েছে। সুরা মুলক তার তেলাওয়াতকারীর জন্য আল্লাহর কাছে সুপারিশ করবে এবং তাকে জান্নাতে নিয়ে যাবে।  

আবু হুরায়রা (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে আল্লাহর রাসুল (সা.) বলেন, ‘আল্লাহর কিতাবে ত্রিশ আয়াত বিশিষ্ট একটি সুরা রয়েছে (অর্থাৎ সুরা মুলক), যা এক ব্যক্তির জন্য সুপারিশ করে তাকে জাহান্নাম থেকে মুক্ত করে জান্নাতে প্রবেশ করিয়েছে। (মুসতাদরাকে হাকেম, হাদিস : ৩৮৩৮)

সুরা মুলক তার আমলকারীর পক্ষে দৃঢ়ভাবে ওকালতি করবে। এমনকি জান্নাতে প্রবেশ না করা পর্যন্ত এর পক্ষে সংগ্রাম করতে থাকবে। আনাস (রা.) থেকে বর্ণিত হাদিসে রাসুল (সা.) বলেন, ‘কোরআনে ত্রিশ আয়াত বিশিষ্ট একটি সুরা রয়েছে, যা তার আমলকারীকে জান্নাতে প্রবেশ করানো পর্যন্ত তার পক্ষে ওকালতি করেছে, তার পক্ষে লড়েছে। তা হলো- সুরা তাবারাকা (সুরা মুলক)। (আল-মুজামুল আওসাত লিত-তবারানি, হাদিস : ৩৬৫৪)

রাসুলুল্লাহ (সা.) রাতের ইবাদতে সুরা মুলক বিশেষ গুরুত্ব সহকারে তেলাওয়াত করতেন। এমনকি সুরা মুলক এবং সুরা সাজদাহ তেলাওয়াত না করা পর্যন্ত তিনি ঘুমাতেন না। জাবের (রা.) বলেন, ‘নবীজি (সা.) সুরা সাজদাহ ও সুরা মুলক তিলাওয়াত না করা পর্যন্ত ঘুমাতেন না।’ (জামে তিরমিজি, হাদিস : ৩৪০৪)

সুতরাং, যে ব্যক্তি নিয়মিত সুরা মুলক তেলাওয়াত করবে এবং এর আলোকে জীবন পরিচালনা করবে, ইনশাআল্লাহ সে আল্লাহর রহমত ও সুপারিশের মাধ্যমে জান্নাতের সৌভাগ্য অর্জন করবে।

আল্লাহ তাআলা আমাদের প্রত্যেককে প্রতিদিন বা অন্তত প্রতি রাতে সুরা মুলক তেলাওয়াত করার তাওফিক দিন।

আইএইচ/

প্রাসঙ্গিক সংবাদ পড়তে নিচের ট্যাগে ক্লিক করুন

আল কোরআন আল হাদিস

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন