Logo

ধর্ম

যে আমলে আল্লাহ বান্দার অভাব-অনটন দূর করে দেন

Icon

ধর্ম ডেস্ক

প্রকাশ: ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫, ১৬:১৭

যে আমলে আল্লাহ বান্দার অভাব-অনটন দূর করে দেন

আল্লাহ তাঁর বান্দাকে সুখ-দুঃখ, প্রাচুর্য ও অভাব- সবকিছুর মাধ্যমে পরীক্ষা করেন। কখনো তাদের ধনসম্পদ ও নিয়ামতের প্রাচুর্য দান করেন, আবার কখনো অভাব-অনটন ও সংকটে পতিত করে পরীক্ষা করেন। যার ঈমান দুর্বল সে বিপদে ধৈর্যহারা হয়ে পড়ে, কিন্তু মুমিনেরা প্রতিটি অবস্থায় আল্লাহর ওপর ভরসা করে এবং তাঁরই কাছে সকল প্রকার অভাব-অনটন ও বিপদ-আপদ থেকে মুক্তি পেতে প্রার্থনা করে।

আল্লাহ তাআলা কোরআনে বলেছেন, ‘যদি তোমরা কৃতজ্ঞ হও, তবে আমি অবশ্যই তোমাদের নিয়ামত বাড়িয়ে দেব, আর অকৃতজ্ঞ হলে আমার শাস্তি হবে কঠিন।’ (সুরা ইবরাহিম: ৭)

আর রিজিকের মালিক যেহেতু কেবল আল্লাহ। তিনি চান তো সীমাহীন রিজিক দান করেন, আর চান তো অভাবের মাধ্যমে বান্দাকে পরীক্ষা করেন। তাই অভাব-অনটনের সময় হতাশ হওয়া যাবে না; বরং আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করে চেষ্টা ও দোয়া অব্যাহত রাখতে হবে।

দারিদ্র্য থেকে মুক্তির জন্য দোয়া পড়া উত্তম আমল। যেমন, হাদিসে এসেছে, ‘আল্লাহুম্মা ইন্নি আউজুবিকা মিনাল ফাকরি, ওয়াল কিল্লাতি, ওয়াজ্জিল্লাতি, ওয়া আউজুবিকা মিন আন আজলিমা আও উজলামা।’ (সহিহ বুখারি: ১৫৪৪)

অর্থাৎ, ‘হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই দারিদ্র্য, কমতি ও অসম্মান থেকে। আবার আশ্রয় চাই, কাউকে জুলুম করা থেকে বা কারও দ্বারা জুলুমের শিকার হওয়া থেকে।

হাদিসে এসেছে, নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘হে আদম সন্তান, আমার ইবাদতের জন্য ঝামেলামুক্ত হও, আমি তোমার অন্তরকে প্রাচুর্য দিয়ে ভরে দেব এবং অভাব দূর করে দেব।’ (জামে তিরমিজি)

অভাব-অনটন ও দুর্ভিক্ষ থেকে বাঁচতে রাসুল (সা.) সর্বদা আল্লাহর কাছে দোয়া করেছেন। যেমন, ‘হে আল্লাহ, আমি আপনার কাছে আশ্রয় চাই দুর্ভিক্ষ ও ক্ষুধা থেকে, কেননা তা নিকৃষ্ট সঙ্গী।’ (সুনানে আবু দাউদ: ১৫৪৭)

নিয়ামতের শুকরিয়া আদায় করাও অভাব-অনটন দূর হওয়ার অন্যতম আমল। আল্লাহ বলেন, ‘যদি তোমরা শুকরিয়া আদায় করো, তবে আমি তোমাদের বাড়িয়ে দেব।’ (সুরা ইবরাহিম: ৭)

আল্লাহ তাআলা আমাদের রিজিকে বরকত দিন, বিপদ-আপদ ও অভাব-অনটন থেকে হেফাজত করুন।

আইএইচ/

প্রাসঙ্গিক সংবাদ পড়তে নিচের ট্যাগে ক্লিক করুন

আল হাদিস আল কোরআন

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন