Logo

ধর্ম

ইসলাম ও বডি ল্যাঙ্গুয়েজ

Icon

মুফতি আহমাদুল্লাহ মাসউদ

প্রকাশ: ০৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৩:২৫

ইসলাম ও বডি ল্যাঙ্গুয়েজ

মানুষ শুধু জিহ্বা দিয়েই কথা বলে না; সে কথা বলে তার চোখ দিয়ে, মুখের অভিব্যক্তি দিয়ে, হাতের নড়াচড়া দিয়ে, হাঁটার ধরন দিয়ে, বসার ভঙ্গি দিয়ে, এমনকি নীরবতা ও সামগ্রিক আচরণ দিয়েও।

মানুষের মুখের ভাষা অনেক সময় মিথ্যা হতে পারে, হতে পারে সাজানো; কিন্তু তার দেহভাষা বা বডি ল্যাঙ্গুয়েজ অবচেতনভাবেই সত্য প্রকাশ করে দেয়। এ কারণেই দেখা যায়, কিছু মানুষ অল্প কথা বলেও গভীর প্রভাব ফেলে, আর কেউ অনেক কথা বলেও হৃদয়ে কোনো দাগ কাটতে পারে না।

মনোবিজ্ঞানের ভাষায় একে “Bodz Language” বলা হলেও ইসলাম সাড়ে চৌদ্দশো বছর আগেই এটিকে নৈতিকতা, লজ্জাশীলতা, শালীনতা, মর্যাদা ও উত্তম চরিত্রের একটি পূর্ণাঙ্গ অধ্যায় হিসেবে বিন্যস্ত করেছে। কোরআন ও সুন্নাহর আলোকে গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করলে স্পষ্ট হয়, একজন মুমিনের দেহভাষা আসলে তার ঈমানের নীরব পরিচয় এবং তার শিক্ষা-দীক্ষা ও তরবিয়তের জীবন্ত প্রতিচ্ছবি।

মুখমণ্ডল: দাওয়াতের নীরব বাহক

ইসলাম মানুষের মুখমণ্ডলকে বার্তার এক অনন্য বাহক হিসেবে উপস্থাপন করেছে। রাসুলুল্লাহ (সা.) ইরশাদ করেছেন-

“তোমার ভাইয়ের সামনে তোমার হাসিও একটি সদকা।” (সুনানে তিরমিযি-১৯৫৬)

এ হাদিস প্রমাণ করে, ইসলামে হাসি কোনো তুচ্ছ সামাজিক ভদ্রতা নয়; বরং তা একটি ইবাদত, একটি সদকা। এর বিপরীতে রুক্ষ মুখভঙ্গি, কপট ভ্রæকুটি, মুখ বাঁকানো, বিরক্তির প্রকাশ, এসব এমন নীরব বাক্য, যা শব্দ ছাড়াই মানুষের হৃদয়ে আঘাত করে। ইসলাম চায় মুমিনের চেহারা হোক প্রফুল্ল, প্রশান্ত ও আশাব্যঞ্জক, যাতে তার দ্বীনকেও মানুষের কাছে প্রশস্ত ও হৃদয়গ্রাহী মনে হয়।

একটি হাসিমুখ দাওয়াতের প্রথম দরজা খুলে দেয়। এটি এমন ভাষা, যা কোনো শব্দ উচ্চারণ ছাড়াই মানুষকে আপনার কাছাকাছি নিয়ে আসে, তার কলবে বিশ্বাসের বীজ বপন করে। সমাজে অনেক মানুষ আছেন যারা বিভিন্ন বিষয়ে  পারদর্শী, কিন্তু তাদের মুখভঙ্গি এত কঠোর যে মানুষ তাদের কাছে যেতে ভয় পায়। অথচ হাসি ছিল নবী (সা.) সবচেয়ে স্বাভাবিক ও প্রিয় আদব। সাহাবায়ে কেরাম (রাযি.) বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) সব সময় হাসিমুখে থাকতেন এবং এমনভাবে কারও সাথে কথা বলতেন, সামনের লোক মনে করতো যেন তিনিই রাসুলের কাছে সবচেয়ে প্রিয় মানুষ।

চোখ: মর্যাদা ও লজ্জাশীলতার প্রকাশ

চোখও কথা বলে। অনেক সময় চোখের দৃষ্টিই মানুষের অন্তরের অবস্থা প্রকাশ করে দেয়। কোরআনে আল্লাহ তাআলা নির্দেশ দিয়েছেন, “মুমিনদের বলে দাও, তারা যেন তাদের দৃষ্টি নত রাখে।” (সুরা নুর: ৩০)

এই নির্দেশ কেবল হারাম দৃষ্টি থেকে বাঁচার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়। বরং কারও দিকে স্থির দৃষ্টিতে তাকানো, অবজ্ঞার চোখে দেখা, তাচ্ছিল্যের দৃষ্টি নিক্ষেপ করা কিংবা অহংকার প্রকাশকারী চোখের ভাষাকেও ইসলাম প্রত্যাখ্যান করে। ইসলামের দৃষ্টিতে নত দৃষ্টি দুর্বলতার লক্ষণ নয়; বরং তা লজ্জাশীলতা, শালীনতা ও আত্মমর্যাদার প্রতীক।

একটি বিনয়ী দৃষ্টি সম্মানের বার্তা দেয়, আর একটি ঔদ্ধত্যপূর্ণ দৃষ্টি অপমানের। চোখের মাধ্যমে মানুষের ভেতরের গর্ব, ক্রোধ, লোভ, ঈর্ষা, সবকিছুই প্রকাশ পায়। তাই ইসলাম চোখের ভাষাকে নিয়ন্ত্রণে রাখার নির্দেশ দিয়েছে। এটি শুধু নৈতিক বিধান নয়, বরং সামাজিক শান্তি ও পারস্পরিক সম্মানবোধের ভিত্তি। দৃষ্টির নম্রতা বাস্তবে  মনের নম্রতারই বহিঃপ্রকাশ। যার চোখে অহংকার, তার হৃদয়েও অহংকার থাকা স্বাভাবিক। আর যার দৃষ্টি বিনীত, তার চরিত্রও বিনীত।

চলাফেরা ও বসার ভঙ্গি: চরিত্রের নীরব ব্যাখ্যা

মানুষের হাঁটার ধরন ও বসার ভঙ্গিও তার ভেতরের চরিত্রের ব্যাখ্যা দেয়। কোরআনে আল্লাহ তাআলা বলেন, “পৃথিবীতে উদ্ধতভাবে চলাফেরা করো না। নিশ্চয়ই তুমি কখনো পৃথিবীকে বিদীর্ণ করতে পারবে না এবং উচ্চতায় পর্বত সমান হতে পারবে না।” (সুরা ইসরা: ৩৭)

অহংকার নিয়ে হাঁটা, বুক ফুলিয়ে কথা বলা, মাটি পিষে চলার ভঙ্গি, এসবই অহংকারের ভাষা। নবী করিম (সা.)-এর চলাফেরায় না ছিল কৃত্রিমতা, না ছিল গর্ব; বরং  তাতে ছিল সরলতা, ভারসাম্য ও মর্যাদার অপূর্ব সমন্বয়। তিনি দ্রুত পায়ে অহংকার নিয়ে হাঁটতেন না, আবার অলসতায় টেনে টেনে চলতেনও না। সাহাবীগণ বলতেন, তাঁর হাঁটা ছিল এমন যেন তিনি ঢালু পথে নামছেন, স্বাভাবিক, কিন্তু দৃঢ় ও প্রাণবন্ত।

বসার ভঙ্গিও চরিত্রের প্রকাশ। মজলিসে বিনয়ীভাবে বসা, কাউকে ছোট না মনে করা, কারও দিকে পিঠ ফিরিয়ে না বসা, এসবই নবীজির শিক্ষা।

আধুনিক সভ্যতায় অনেকে মনে করেন, শক্তিশালী ব্যক্তিত্ব মানেই আগ্রাসী ভঙ্গিমা। কিন্তু ইসলামের দৃষ্টিতে প্রকৃত শক্তি নম্রতায়, বিনয়ে, মানুষের হৃদয় জয় করার সক্ষমতায়। একজন মানুষের হাঁটা-চলা ও বসার ধরন দেখেই বোঝা যায় তার ভেতরে কী আছে, অহংকার নাকি বিনয়, আগ্রাসন নাকি শান্তি।

ইশারা-ইঙ্গিত ও অঙ্গভঙ্গি

ইসলাম ইশারা-ইঙ্গিত ও অঙ্গভঙ্গিকেও নৈতিকতার আওতাভুক্ত করেছে। কোরআনে সতর্ক করে বলা হয়েছে, “মানুষের সামনে গাল ফুলিয়ে (অহংকারভরে) মুখ ফিরিয়ে নিও না এবং পৃথিবীতে দম্ভভরে চলাফেরা করো না। নিশ্চয়ই আল্লাহ কোনো দাম্ভিক ও অহংকারীকে পছন্দ করেন না।” (সুরা লুকমান: ১৮)

অনেক আচরণ আছে, যাতে একটি শব্দ উচ্চারণ না করেও সামনের মানুষটিকে হেয় করা হয়, চোখ ঘোরানো, মুখ ফিরিয়ে নেওয়া, ঠোঁট বাঁকানো। ইসলাম এ ধরনের নীরব অপমানকেও অপছন্দ করে। এই নীতির সর্বোচ্চ দৃষ্টান্ত আমরা সূরা আবাসার ঘটনায় দেখি। কোরআন বলে, “সে ভ্রæকুটি করল এবং মুখ ফিরিয়ে নিল, কারণ তার কাছে এক অন্ধ ব্যক্তি এসেছিল।” (সুরা আবাসা: ১–২)

এখানে আল্লাহ তাআলা নিজ নবীকেও (ওহির মাধ্যমে) শিক্ষা দিয়েছেন, একজন দুর্বল মানুষের সামনে সামান্য মুখভঙ্গিও কতটা গুরুত্বপূর্ণ। এই আয়াত প্রমাণ করে যে ইসলামে বডি ল্যাঙ্গুয়েজ কতটা গুরুত্ব বহন করে। একজন অন্ধ সাহাবি আবদুল্লাহ ইবনে উম্মে মাকতুম রাদিয়াল্লাহু আনহু যিনি দ্বীন শেখার জন্য উৎসাহী ছিলেন, তাঁর প্রতি সামান্য দৃষ্টি না দেয়া  জন্যও আল্লাহ তাঁর প্রিয় রাসুলকে সতর্ক করলেন। এটি আমাদের শেখায় যে, শব্দহীন ভাষাও কতটা শক্তিশালী এবং কতটা দায়িত্বশীল হতে হয়।

কণ্ঠস্বর: দেহভাষার গুরুত্বপূর্ণ অংশ

কণ্ঠস্বরও বডি ল্যাঙ্গুয়েজের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। হযরত লুকমান হাকীম তাঁর পুত্রকে উপদেশ দিয়ে বলেন, “তোমার কণ্ঠস্বর নিচু রাখো; নিশ্চয়ই সব থেকে নিকৃষ্ট আওয়াজ গাধার আওয়াজ।” (সুরা লুকমান: ১৯)

চিৎকার করা, ব্যঙ্গাত্মক সুরে কথা বলা, রাগান্বিত ভঙ্গিতে কথা বলা, এসব নৈতিক দৈন্যতার লক্ষণ, শব্দগুলো যতই সঠিক হোক না কেন। কণ্ঠস্বরের মাধ্যমে মানুষের ভেতরের শান্তি বা অস্থিরতা প্রকাশ পায়। একজন প্রশান্ত মনের মানুষের কণ্ঠে থাকে স্থিরতা, আর একজন অহংকারী বা রাগী মানুষের কণ্ঠে থাকে কর্কশতা।

আওয়াজের উচ্চতা কখনোই যুক্তির শক্তি বাড়ায় না। বরং এটি দুর্বলতার লক্ষণ। যার কথায় সত্য আছে, তার চিৎকারের প্রয়োজন নেই। নবীজি (সা.) কখনো বাজারে গিয়ে চিৎকার করতেন না, উচ্চস্বরে কথা বলতেন না। তাঁর কণ্ঠ ছিল মধুর, শান্ত এবং স্পষ্ট। মানুষ তাঁর কথা শুনত কারণ তাঁর কথায় ছিল সত্য, ছিল বিনয়, ছিল আন্তরিকতা। তাতে কোন চিৎকারের প্রয়োজন ছিল না।

মজলিসের আদব: হৃদয় জয়ের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ

রাসুলুল্লাহ (সা.) মজলিসে বসার সময় সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে সামনের মানুষের দিকে তাকিয়ে থাকতেন, কথা কাটতেন না এবং কাউকেই এই অনুভূতি দিতেন না যে সে গুরুত্বহীন। এটি এমন এক উচ্চস্তরের বডি ল্যাঙ্গুয়েজ, যা হৃদয়কে হৃদয়ের সঙ্গে যুক্ত করে দেয়।

সাহাবায়ে কেরাম বলতেন, রাসুলুল্লাহ (সা.) যার সাথে কথা বলতেন, তার দিকে পূর্ণ দেহ ঘুরিয়ে কথা বলতেন, শুধু মুখ নয়। এটি সম্মান ও মনোযোগের সর্বোচ্চ প্রকাশ। আজকের যুগে মোবাইল ফোনের দিকে তাকিয়ে কথা বলা, কারও সাথে কথা বলার সময় অন্যদিকে তাকানো, এসব আসলে ইসলামের আদবের পরিপন্থী।

মজলিসে বসার সময় নবী (সা.) কখনো কাউকে ছোট মনে করতেন না। ধনী-গরীব, সাদা-কালো, আরব-অনারব, সবাইকে সমান সম্মান দিতেন। তাঁর বডি ল্যাঙ্গুয়েজে কোনো বৈষম্য ছিল না। প্রতিটি মানুষ অনুভব করত যে সে গুরুত্বপূর্ণ, সে মূল্যবান। এই শিক্ষা আজও প্রাসঙ্গিক, আমরা যখন মানুষের সাথে বসি, তাদের প্রতি আমাদের দেহভাষা কী বলে? সম্মান, নাকি অবহেলা?

অহংকার: নীরব ধ্বংসের মূল

ইসলাম অহংকারের প্রতিটি রূপকে ঘৃণা করে। রাসুলুল্লাহ  ইরশাদ করেছেন, “যার অন্তরে সরিষার দানার সমান অহংকার থাকবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না।” (সহিহ মুসলিম- ৯১)

অহংকার অনেক সময় জিহ্বা দিয়ে নয়, বরং মানুষের ভঙ্গি ও আচরণ থেকেই ঝরে পড়ে। অহংকারী মানুষের চোখ, হাঁটা, বসা, কথা বলার ধরন, সবকিছুই তার অহংকারকে প্রকাশ করে দেয়। এ কারণেই ইসলাম শুধু মুখের কথা নয়, বরং সম্পূর্ণ দেহভাষাকে বিনয় ও নম্রতায় সজ্জিত করতে বলেছে।

একবার এক সাহাবি জিজ্ঞেস করলেন, “ইয়া রাসুলাল্লাহ! একজন মানুষ সুন্দর পোশাক পরতে পছন্দ করে, সুন্দর জুতা পরতে পছন্দ করে, এটা কি অহংকার?” নবী (সা.) বললেন, “না, আল্লাহ সুন্দর এবং সৌন্দর্যকে ভালোবাসেন। অহংকার হলো সত্যকে প্রত্যাখ্যান করা এবং মানুষকে হেয় জ্ঞান করা।” এই হাদিস থেকে স্পষ্ট হয় যে, অহংকার বাহ্যিক সাজসজ্জায় নয়, বরং মনোভাব ও আচরণে। এবং সেই আচরণ প্রকাশ পায় দেহভাষার মাধ্যমে।

পুনশ্চ: নীরব দাওয়াত ও চরিত্র-নির্মাণ

ইসলাম শুধু এটাই দাবি করে না যে তুমি সঠিক কথা বলো; বরং দাবি করে, সঠিক ভঙ্গিতে কথা বলো। কারণ দাওয়াত শুধু কথার মাধ্যমে ছড়ায় না; তা ছড়ায় চরিত্র, মর্যাদা ও নীরব বার্তার মাধ্যমেও। একজন মুমিনের বডি ল্যাঙ্গুয়েজই তার চলমান পরিচয়পত্র। মানুষ আগে তোমাকে দেখে, তারপর তোমার কথা শোনে। যদি দেখাটাই সঠিক হয়, তবে শোনাও আপনাতেই শুরু হয়ে যায়।

আমাদের প্রিয় নবী হযরত মুহাম্মদ (সা.) বডি ল্যাঙ্গুয়েজের দিক দিয়েও আমাদের জন্য পরিপূর্ণ আদর্শ। তিনি ছিলেন অতীব বিনয়ী, হালকা ঝুঁকে হাঁটতেন, ধীরে পা ফেলতেন, দৃষ্টি নিচু রাখতেন। সাহাবিরা বলতেন, “আমরা যখন তাঁর সাথে থাকতাম, মনে হতো তিনিই আমাদের সবচেয়ে প্রিয় মানুষ।” এটাই ছিল তাঁর দেহভাষার মাহাত্ম্য। প্রতিটি মানুষকে নিজের করে নেওয়া, প্রতিটি হৃদয়ে জায়গা করে নেওয়া।

আজকের যুগে যখন সোশ্যাল মিডিয়া ও ডিজিটাল যোগাযোগ আমাদের জীবনে প্রাধান্য পাচ্ছে, তখন বডি ল্যাঙ্গুয়েজের গুরুত্ব যেন আরও বেশি করে সামনে আসছে। কারণ মুখোমুখি কথোপকথনে আমাদের চরিত্র প্রকাশ পায়, আমাদের আসল পরিচয় প্রকাশ পায়। একটি প্রকৃত মুমিনের পরিচয় তার টাইপ করা শব্দে নয়, বরং তার আচার-আচরণে, তার হাসিতে, তার বিনয়ে, তার দৃষ্টিতে।

আলহামদুলিল্লাহ, বডি ল্যাঙ্গুয়েজের ক্ষেত্রেও আমাদের কাছে সুন্নাতে নববি- এর এক পূর্ণাঙ্গ ও সুন্দর দিকনির্দেশনা রয়েছে। এই শিক্ষা অনুসরণ করলে আমরা কেবল ব্যক্তিগত চরিত্র উন্নত করি না, বরং সমাজে দ্বীনের এক নীরব দাওয়াতের বাহক হয়ে উঠি। প্রতিটি মৃদু হাসি, প্রতিটি নম্র দৃষ্টি, প্রতিটি বিনয়ী পদক্ষেপ, এসবই আমাদের দ্বীনের সৌন্দর্য তুলে ধরে। আর এভাবেই গড়ে ওঠে একটি আদর্শ মুসলিম সমাজ, যেখানে কথা ও কাজে, শব্দে ও নীরবতায় ইসলামের নুর প্রতিফলিত হয়।

লেখক: মুদাররিস: জামিয়া নূরিয়া ইসলামিয়া, কামরাঙ্গিরচর, ঢাকা

বিকেপি/এমএম

প্রাসঙ্গিক সংবাদ পড়তে নিচের ট্যাগে ক্লিক করুন

ইসলাম ধর্ম

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন প্রধান, ডিজিটাল সংস্করণ হাসনাত কাদীর