সংগৃহীত
মহান আল্লাহর নৈকট্য লাভের অন্যতম শ্রেষ্ঠ মাধ্যম পবিত্র কোরআন। ছোটবেলা থেকেই শিশুদের এই মহাগ্রন্থের সঙ্গে পরিচিত করা তাদের নৈতিক ও আধ্যাত্মিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
শিশুকে কোরআনের প্রতি আগ্রহী করে তুলতে নিচে ৬টি সহজ ও কার্যকর উপায় তুলে ধরা হলো-
১. নিজে উদাহরণ হয়ে উঠুন
শিশুরা দেখেই শেখে। আপনি যদি নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াত করেন, তাহলে শিশুও স্বাভাবিকভাবে আগ্রহী হবে। আপনার অভ্যাসই তার অনুপ্রেরণা।
২. শোনার মাধ্যমে শুরু
ঘরে নিয়মিত কোরআন তিলাওয়াত চালু রাখুন। ছোটবেলা থেকেই এই সুমধুর ধ্বনির সঙ্গে পরিচিত হলে শিশুর মনে কোরআনের প্রতি ভালোবাসা জন্মায়।
৩. প্রতিযোগিতায় উৎসাহ দিন
কোরআন তিলাওয়াত বা হিফজ প্রতিযোগিতায় অংশ নিতে উৎসাহিত করুন। এতে শেখার আগ্রহ বাড়ে এবং ইতিবাচক প্রশংসা তাদের আরও অনুপ্রাণিত করে।
৪. নিজের কোরআন উপহার দিন
শিশুর জন্য আলাদা একটি সুন্দর মুসহাফ উপহার দিন। এতে তার মধ্যে দায়িত্ববোধ তৈরি হবে এবং নিয়মিত পড়ার আগ্রহ বাড়বে।
৫. নৈতিক শিক্ষায় আয়াত ব্যবহার
দৈনন্দিন ভালো কাজ শেখানোর সময় কোরআনের আয়াত উল্লেখ করুন। এতে শিশু বুঝবে- জীবনের সঠিক পথনির্দেশনা কোরআন থেকেই আসে।
৬. গল্পের মাধ্যমে শেখান
কোরআনের গল্পগুলো শিশুদের জন্য খুব আকর্ষণীয়। যেমন-
হজরত ইউনুস (আ.)-এর মাছের ঘটনা, হজরত সুলাইমান (আ.)-এর পিঁপড়া ও হুদহুদ পাখির কাহিনী এবং আবরাহার হাতির ঘটনা।
এসব গল্প সহজ ভাষায় বললে শিশুর কল্পনাশক্তি বাড়ে এবং কোরআনের প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়।
পরিশেষে বলা যায়, সন্তানের জন্য সবচেয়ে বড় উপহার হলো সঠিক ঈমান ও নৈতিক শিক্ষা। আর তা সম্ভব কোরআনের সঙ্গে গভীর সম্পর্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে। তাই আজ থেকেই ছোট ছোট পদক্ষেপে শিশুদের কোরআনের আলোয় আলোকিত করার চেষ্টা শুরু করুন।
বাংলাদেশেরখবর/আরকে

