বাংলাদেশের পত্রিকা থেকে
বিতর্কের খাতা খুললেন উপদেষ্টা ফারুকী
ডিজিটাল ডেস্ক
প্রকাশ: ০২ মার্চ ২০২৫, ০৮:৫৯
রোজার বাজারে ভিন্ন চিত্র
বাংলাদেশের খবরে লিড করা হয়েছে, সবকিছু আগের মতো হলেও এ বছর বাজারের চিত্র কিছুটা ভিন্ন। খেজুর ও মুদিপণ্যে কিছুটা স্বস্তি থাকলেও চাল, তেল এবং সবজির বাড়তি দামের মধ্যেই শুরু হলো পবিত্র রমজান মাস। যদিও রোজার আগেই রমজান মাসের কেনাকাটা সেরে নিয়েছেন অনেকেই।
তবে দৈনিক আয়ের মানুষের জন্য এ মাসের কেনাকাটা অনেকটা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে। প্রতিবছর রোজা শুরুর আগেই বাজারে খেজুর, চিনি, ছোলা, বেসনের মতো পণ্যের দাম বেড়ে যায়। এবার এই পণ্যগুলোর ক্ষেত্রে এরকম বড় ধরনের কোনো ঘটনা ঘটেনি। আর এই পণ্যগুলোর দাম বৃদ্ধি না পাওয়ায় স্বস্তি প্রকাশ করেছেন ক্রেতা-বিক্রেতা উভয়ই।
বিক্রেতারা স্বস্তি প্রকাশ করে বলছেন, দাম নাগালের মধ্যে থাকায় ক্রেতাদের কেনাকাটার চাহিদা আছে। যা বিক্রেতাদের জন্য ভালো। রমজান-সংশ্লিষ্ট এসব নিত্যপণ্যের দাম না বাড়লেও এরই মধ্যে শসা, লেবু ও বেগুনসহ সব ধরনের সবজির দাম বেড়েছে। শুক্র ও শনিবার রাজধানীর কয়েকটি কাঁচাবাজার সরেজমিনে ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।
বাজার সংশ্লিষ্টরা বলছেন, প্রতিবছর রমজান মাসকে কেন্দ্র করে রোজা শুরুর আগেই বাজার উত্তপ্ত থাকে। বাড়তে শুরু করে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য থাকে খেজুর, শসা, লেবু, বেগুন, ছোলা, ডাল, বেসনের মতো পণ্য। সে হিসেবে এবারের চিত্র কিছুটা ভিন্ন।

শনিবার (১ মার্চ) বাজারে দেখা যায়, মানভেদে প্রতি কেজি বাংলা খেজুর ১৮০-২০০ টাকা, মেডজুল খেজুর ১২০০-১৬০০ টাকা, আজোয়া খেজুর ৯০০-১৩০০ টাকা, কামরাঙা মরিয়ম খেজুর ৭০০-১৮৫০ টাকা, মরিয়ম খেজুর ৬০০ টাকা, তিউনেশিয়ার খেজুর ৪৫০ টাকা, কাঁচা খেজুর ৬০০ টাকা, মাশারুক ৭০০-৯০০ টাকা, সুগাই জাতের খেজুর ৯৫০ টাকা, দাবাস খেজুর ৪৬০-৫০০ টাকা, জাহিদি ২০০-৩০০ টাকা এবং বরই খেজুর ৪৫০-৫০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
কমিটির আকার বাড়বে, লক্ষ্য তৃণমূলে বিস্তৃতি
প্রথম আলো লিড করেছে, সদ্য আত্মপ্রকাশ হওয়া তরুণদের রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কেন্দ্রীয় কমিটির আকার আরও বাড়বে। দল ঘোষণার পর আপাতত তৃণমূলে দলকে শক্তিশালী করার দিকে মনোযোগী হবে দলটি। এর আগে ঘোষিত জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কমিটিগুলো থেকে নেতা-কর্মীদের দলে কীভাবে যুক্ত করা হবে, সেই কৌশল শিগগিরই আলোচনা করে ঠিক করবে নতুন দল। পাশাপাশি বক্তব্য-বিবৃতিসহ নিজেদের কর্মকাণ্ডের ক্ষেত্রে আগের চেয়ে আরও সচেতন হবেন দলটির নেতারা।
গত শুক্রবার রাজধানীর মানিক মিয়া অ্যাভিনিউয়ে এনসিপির আনুষ্ঠানিক আত্মপ্রকাশের পর গতকাল শনিবার দলটির শীর্ষস্থানীয় চার নেতার সঙ্গে কথা বলে এমন ধারণা পাওয়া গেছে। তাঁরা জানিয়েছেন, দল ঘোষণার পরও জাতীয় নাগরিক কমিটি ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের কার্যক্রম চলমান থাকবে। শিগগিরই এই দুই প্ল্যাটফর্মের কমিটি পুনর্গঠন করা হবে। তাদের সঙ্গে দলের কোনো সাংগঠনিক সম্পর্ক থাকবে না, দলের কার্যালয়ও হবে আলাদা।
নতুন রাজনৈতিক দলের প্রতীক কী হবে, সেটি এখনো চূড়ান্ত হয়নি। রাজনৈতিক দল গঠনের আগে ‘আপনার চোখে নতুন বাংলাদেশ’ শিরোনামে পরিচালিত জনমত জরিপে দলের জন্য বেশ কিছু প্রতীকের প্রস্তাব এসেছে। এগুলোর মধ্যে আছে বই, খাতা, কলম, মুষ্টিবদ্ধ হাত, কবুতর, শাপলা, ইলিশ, বাঘ ইত্যাদি। দলীয় প্রতীক চূড়ান্ত করতে কিছুটা সময় নেবে এনসিপি। এর আগে রাজনৈতিক দলের নিবন্ধন নীতিমালার শর্তপূরণে দলীয় কার্যালয় ঠিক করা হবে।
আলোচনায় নতুন সংবিধান সেকেন্ড রিপাবলিক
বাংলাদেশ প্রতিদিন লিড করেছে, বাংলাদেশে দ্বিতীয় প্রজাতন্ত্র (সেকেন্ড রিপাবলিক) কায়েম করতে চাইছে বিপ্লব থেকে জন্ম নেওয়া নতুন রাজনৈতিক দল জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)। দলটির আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে ‘গণপরিষদ নির্বাচন’ এবং ‘নতুন সংবিধান’ প্রণয়নেরও ঘোষণা দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে দেশের অন্যতম প্রধান রাজনৈতিক দল বিএনপিসহ সমমনা কয়েকটি দল জাতীয় নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণার দাবি জানাচ্ছে। এ প্রেক্ষাপটে প্রশ্ন উঠেছে, গণপরিষদ নির্বাচন নাকি সংসদ, কোনটা অগ্রাধিকার পাবে? এই ইস্যুতে সামনের দিনগুলোতে দেশের রাজনীতি কোন পথে যাবে, তা নিয়েও রাজনৈতিক মহলে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেছেন, ‘যারা গণপরিষদের কথা সামনে আনছে, যারা সেকেন্ড রিপাবলিকের কথা সামনে আনছে, হয় তারা বোঝে না, অথবা বুঝে আমাদের এই রাষ্ট্রব্যবস্থাকে গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় নিয়ে যাওয়ার পথ আরও দীর্ঘায়িত করার ষড়যন্ত্র করছে।’ এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম শুক্রবার দলের ঘোষণাপত্রে বলেন, ‘২০২৪ গণ অভ্যুত্থান আমাদের সেকেন্ড রিপাবলিক প্রতিষ্ঠার লড়াই সূচনা করেছে। একটি গণতান্ত্রিক নতুন সংবিধান প্রণয়নের মাধ্যমে আমাদেরকে সাংবিধানিক স্বৈরতন্ত্র পুনঃপ্রতিষ্ঠার সব সম্ভাবনার অবসান ঘটাতে হবে।
আমাদের সেকেন্ড রিপাবলিক প্রতিষ্ঠার জন্য গণপরিষদ নির্বাচনের মাধ্যমে একটি নতুন সংবিধান প্রণয়ন আমাদের অন্যতম প্রাথমিক লক্ষ্য।’ এনসিপির ঘোষণাপত্রের এই ‘সেকেন্ড রিপাবলিক’ ও ‘গণপরিষদ নির্বাচন’ নিয়েই এখন দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে জোর আলোচনা শুরু হয়েছে। বিএনপি, বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টিসহ (সিপিবি) কয়েকটি দল মনে করছে, গণপরিষদ নির্বাচনের কথা বলে মূলত জাতীয় নির্বাচনকে দীর্ঘায়িত করার পরিকল্পনা চলছে। গতকাল রাজধানীতে এক অনুষ্ঠানে বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘নতুন সংবিধানের নাম যদি আপনারা নতুন সংবিধান দেন ঠিক আছে; কিন্তু গণপরিষদ কেন বললেন, আমরা বুঝলাম না।’
ঘুস ‘ওপেন সিক্রেট’
যুগান্তর লিড করেছে, ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের গারদখানায় নিয়মবহির্ভূতভাবে ঘুসের বিনিময়ে আসামিকে বিভিন্ন ধরনের সেবা দিচ্ছে একটি সিন্ডিকেট। এর নেপথ্যে রয়েছে দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশের সংশ্লিষ্ট সদস্যরা। তাদের এই অপকর্ম তিন ধাপে সম্পন্ন করা হয়। পুরো প্রক্রিয়ায় সার্বক্ষণিক সহযোগিতা করছে বেশ কয়েকজন দালাল। এতে অবৈধভাবে প্রতিদিন আয় হচ্ছে কমপক্ষে ৩০ হাজার টাকা। পুরো ঘটনাটি আদালতপাড়ায় এক রকম ‘ওপেন সিক্রেট’। যা বছরের পর বছর ধরে চলছে। কিন্তু সবকিছু জানার পরও নির্বিকার কর্তৃপক্ষ। এমনকি অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতায় আসার পর বিভিন্ন দপ্তরের অনিয়ম ও দুর্নীতি এই মুহূর্তে অনেকাংশে হ্রাস পেলেও গারদখানার এই অনিয়ম অব্যাহত আছে নির্বিঘ্নে। যুগান্তরের নিজস্ব অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এমন চাঞ্চল্যকর তথ্য।
প্রসঙ্গত, বিদ্যমান বিধান অনুযায়ী, গারদখানায় থাকা আসামিদের স্বজনদের সঙ্গে যদি কোনো আত্মীয়স্বজন দেখা করতে চায় তাহলে দায়িত্বপ্রাপ্ত ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি নিয়ে দেখা করতে পারবে। সেক্ষেত্রে আইনজীবীর মাধ্যমে আবেদন করতে হবে। আদালত অনুমতি দিলেই স্বজনদের সঙ্গে দেখা করবেন স্বজনরা। কিন্তু এই পদ্ধতিকে অনেক ঝক্কি-ঝামেলার মনে করে আসামিপক্ষের স্বজনরা। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে বিচারপ্রার্থীদের অসহায় বানিয়ে প্রতিদিন মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে ওই সিন্ডিকেট।
কমছে গ্যাসের উৎপাদন, গভীর হচ্ছে সংকট
আমার দেশ লিড করেছে, এক বছরে গ্যাসের উৎপাদন কমে গেছে প্রায় ৫০০ মিলিয়ন ঘনফুট। প্রতিদিন এক হাজার ৩ মিলিয়ন ঘনফুটের ঘাটতি নিয়ে ধুঁকছে গ্যাস খাত। উদ্বেগ বাড়ছে জ্বালানি মিলিয়ন নিরাপত্তা নিয়ে। দৈনিক চার হাজার মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাসের চাহিদার বিপরীতে দেশীয় উৎপাদন ও আমদানি থেকে মিলছে দুই হাজার ৭০০ মিলিয়ন ঘনফুট। তীব্র গ্যাস সংকটে শিল্প খাত মুখ থুবড়ে পড়ার উপক্রম হয়েছে। বাসা-বাড়িতে চুলা জ্বলছে না। চরম ভোগান্তিতে রয়েছেন রাঁধুনিরা। পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের ভ্রান্ত নীতি ও দেশে গ্যাস অনুসন্ধান ও উৎপাদনে অবহেলা গোটা খাতকে নাজুক অবস্থায় ঠেলে দিয়েছে।
প্রাকৃতিক গ্যাসের উৎপাদন কমে যাচ্ছে আশঙ্কাজনকভাবে। দেশে আবিষ্কৃত গ্যাসক্ষেত্রগুলো থেকে উত্তোলনযোগ্য ২৯ দশমিক ৭৮ ট্রিলিয়ন ঘনফুট (টিসিএফ) গ্যাসের ২৩ টিসিএফের মতো উত্তোলন করা হয়েছে। নতুন গ্যাস জাতীয় গ্রিডে যুক্ত না হলে আগামী দশ বছরের মধ্যে মজুত শেষ হওয়ার আশঙ্কা করছেন এ খাতের কর্মকর্তারা। সামনের সেচ ও গরমের মৌসুমে বিদ্যুৎকেন্দ্র চালাতে প্রয়োজনীয় গ্যাস, কয়লা ও জ্বালানি তেল আমদানি করা যাবে কি না, তা নিয়ে শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।
বিতর্কের খাতা খুললেন উপদেষ্টা ফারুকী
সমকাল লিড করেছে, অন্তর্বর্তী সরকারের সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সওয়ার ফারুকীর বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। কোন রকম কাগজপত্র ছাড়াই বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি থেকে টাকা চাইতেন ফারুকী। এ রকম অনৈতিক আবদার মেটাতে মোটেও রাজি ছিলেন না প্রতিষ্ঠানটির মহাপরিচালক।
এ কারণেই সৈয়দ জামিল আহমেদ স্বেচ্ছায় শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালকের পদ ছাড়েন। এ পটভূমিতে উপদেষ্টা ফারুকী দাবি করেছেন, মহাপরিচালকের অভিযোগ সত্য নয়। অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের সাত মাসের মাথায় এই প্রথম কোন উপদেষ্টার বিরুদ্ধে আর্থিক অনিয়মের অভিযোগ উঠল। গেল শুক্রবার সন্ধ্যায় নাট্যোৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানের সভাপতির বক্তব্যে সৈয়দ জামিল আহমেদ আচমকা পদত্যাগের ঘোষণা দিয়ে উপস্থিত সবাইকে চমকে দেন।
তিনি মঞ্চে থাকাকালে শিল্পকলার সচিব মোহাম্মদ ওয়ারেছ হোসেনের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন। মহাপরিচালক তার বক্তব্যে সরাসরি সংস্কৃতি উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকীর বিরুদ্ধে শিল্পকলা একাডেমিতে 'অযাচিত হস্তক্ষেপের' অভিযোগও তোলেন।
নতুন দলের বার্তা নিয়ে ধোঁয়াশা, কৌশল নির্ধারণে তৎপরতা
মানবজমিন লিড করেছে, এক প্ল্যাটফরমে নানা মত, নানা পথের মানুষ। ডান, বাম, ধর্মীয় ও জাতিগত ভিন্নতার সঙ্গে আছে বিভিন্ন শিক্ষাব্যবস্থা থেকে পড়ে আসা প্রতিনিধি। ন্যাশনাল সিটিজেনস পার্টি- এনসিপি গঠিত হয়েছে সব মানুষকে নিয়ে। সবাইকে নিয়ে মধ্যপন্থি রাজনীতির যে চর্চার কথা বলছে এনসিপি সেটিই দলটির বড় চ্যালেঞ্জ। দলের নেতাকর্মীরা নাহিদকে ইমাম মানলে সেই দলের কেবলা কী- সেই প্রশ্নই এখন জনমনে। ইতিমধ্যে বিএনপিসহ অনেকে নতুন দলের আদর্শ পরিষ্কার নয় বলে আওয়াজ তুলেছে। ভারত ও পাকিস্তানপন্থি রাজনীতির যে ইতি চাইছে এনসিপি তারাই বা কোনপন্থি- প্রশ্ন অনেকের। তবে নতুন দলের নেতারা স্পষ্ট করেছেন এখন থেকে কেবল বাংলাদেশপন্থি রাজনীতি হবে।
মধ্যপন্থির এ দল সব মত, সব পথকে গুরুত্ব দেবে। যেটি করতে গেলে রীতিমতো চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে বলেও মনে করছেন দলটির নেতারা। দ্রুত গঠনতন্ত্র প্রণয়ন করে এ বিষয়গুলো পরিষ্কার করতে চায় এনসিপি। এ ছাড়াও আত্মপ্রকাশ অনুষ্ঠানে দলের আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম যে সেকেন্ড রিপাবলিকের কথা বলেছেন, সেটি বলতে কী বোঝাতে চান নতুন দল? একই মঞ্চে সদস্য সচিব আখতার হোসেন বলেছেন, নতুন সংবিধান ও গণপরিষদ এখন বাস্তবতা।
যেটি তারা আরও আগ থেকেই বলে আসছেন। সেটি বাস্তবে রূপ দেয়া নিয়েও কঠিন চ্যালেঞ্জের মুখোমুখি হতে হবে নতুন দলকে। সব মিলিয়ে নতুন দলের বার্তা নিয়ে এক ধরনের ধোঁয়াশা রয়ে গেছে। যেটি নিয়ে অন্য রাজনৈতিক শক্তির সঙ্গে তাদের এক ধরনের মতবিরোধ হতে পারে।
অপরাধ ও দুর্ঘটনার অনুষঙ্গ হয়ে উঠছে মোটরসাইকেল
বণিক বার্তা লিড করেছে, ঢাকার বনশ্রীতে নিজ বাসার সামনে ছিনতাইয়ের কবলে পড়েন স্বর্ণ ব্যবসায়ী মো. আনোয়ার। তিনটি মোটরসাইকেল নিয়ে আসা ছিনতাইকারীদের একটি দল গুলি ও ছুরিকাঘাত করে তার সঙ্গে থাকা স্বর্ণালংকার ছিনিয়ে নেয়। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি সংঘটিত ছিনতাইয়ের এ ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে দেশজুড়ে চাঞ্চল্য তৈরি হয়।
এক যুগলকে প্রকাশ্যে রামদা হাতে আঘাত করে চলেছে দুই ব্যক্তি, এমন আরেকটি ভিডিও সম্প্রতি যোগাযোগমাধ্যমে আলোচনায় আসে। গত ১৭ ফেব্রুয়ারি উত্তরায় সংঘটিত ওই ঘটনার সূত্রপাত একদল কিশোরের বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানো নিয়ে। বেপরোয়া মোটরসাইকেল চালানোর প্রতিবাদ করে ওই যুগল হামলার শিকার হন।
গত ২৬ ফেব্রুয়ারি ধানমন্ডিতে ছিনতাইকারীদের কবলে পড়েন তাহসিনা ফেরদৌস রিনিয়া নামের এক নারী। সকাল সাড়ে ৬টার দিকে স্বামীসহ একটি রিকশায় চড়ে স্কুলে যাচ্ছিলেন তিনি। রিকশাটি ধানমন্ডি ২৭ নম্বরের জেনেটিক প্লাজার সামনে এলে মোটরসাইকেলে আসা দুজন ছিনতাইকারী তার ব্যাগ ছিনিয়ে নেয়।
রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক কালে যেসব অপরাধ সংঘটিত হয়েছে, এর বেশির ভাগ সংঘটনের সময়ে অপরাধীদের মোটরসাইকেল ব্যবহার করতে দেখা গেছে। কিশোর গ্যাং এবং ছোট-বড় অনেক অপরাধীর অপরাধ কার্যক্রমের অনুষঙ্গ হয়ে উঠেছে দুই চাকার বাহনটি।
গ্যাস কম, শিল্পোৎপাদন অর্ধেক
কালের কণ্ঠ লিড করেছে, গ্যাসসংকটের কারণে দীর্ঘদিন ধরেই চাহিদামতো গ্যাস মিলছে না শিল্প-কারখানাগুলোতে। দেশীয় গ্যাসের উৎপাদন কমে যাওয়ায় শিল্প-কারখানার পাশাপাশি সিএনজি স্টেশন, বিদ্যুৎকেন্দ্র, আবাসিক খাতসহ সব ক্ষেত্রে এখন গ্যাসের সংকট চলছে। শিল্পের উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন, গ্যাসসংকটের কারণে তাঁদের উৎপাদন ৩০ থেকে ৫০ শতাংশ পর্যন্ত কমে যাওয়ায় উৎপাদন ব্যয় অনেক বেড়ে গেছে। গত কয়েক মাসে কয়েক শ কারখানা বন্ধ হয়ে গেছে।
রপ্তানি আয় কমেছে। বিনিয়োগ থমকে আছে। কর্মসংস্থান বাড়ছে না। শিল্প খাত না বাঁচলে অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি থেমে যাবে, তাই শিল্পের গ্যাস-বিদ্যুৎ চাহিদা মেটাতে জোরালো উদ্যোগ নেওয়ার আহবান জানিয়েছেন তাঁরা।
পেট্রোবাংলা সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে দেশে গ্যাসের চাহিদা রয়েছে প্রায় চার হাজার মিলিয়ন ঘনফুট। গতকাল শনিবার গ্যাস সরবরাহ করা হয় দুই হাজার ৬৯১ মিলিয়ন ঘনফুট। এতে গতকাল ঘাটতি ছিল এক হাজার ৩০৯ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস। মোট দুই হাজার ৬৯১ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহের মধ্যে দেশীয় গ্যাসক্ষেত্র থেকে এক হাজার ৯০৯ মিলিয়ন ঘনফুট এবং আমদানি করা তরলীকৃত প্রকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) থেকে ৭৮১ মিলিয়ন ঘনফুট গ্যাস সরবরাহ করা হয়।
এটিআর/

