Logo

নির্বাচিত

বাংলাদেশের পত্রিকা থেকে

যুক্তরাষ্ট্রকে দুটি চিঠি দেবে বাংলাদেশ

Icon

ডিজিটাল ডেস্ক

প্রকাশ: ০৭ এপ্রিল ২০২৫, ১১:০২

অ
যুক্তরাষ্ট্রকে দুটি চিঠি দেবে বাংলাদেশ

প্রথম আলো প্রধান শিরোনাম করেছে, ‘যুক্তরাষ্ট্রকে দুটি চিঠি দেবে বাংলাদেশ’
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে,  রপ্তানি পণ্যে ডোনাল্ড ট্রাম্পের পাল্টা শুল্ক আরোপের সিদ্ধান্তে গোটা বিশ্বের অর্থনীতি ও বাণিজ্য ব্যবস্থায় বড় ধরনের ধাক্কা লেগেছে, যার বাইরে নয় বাংলাদেশও। এ বিষয়ে করণীয় নির্ধারণে বৃহস্পতিবার থেকে প্রতিদিন উচ্চপর্যায়ের একাধিক বৈঠক হয়েছে। রোববারও পর্যালোচনা বৈঠক হয়েছে অর্থ মন্ত্রণালয়ে। আগের দিন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস এ বিষয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছিলেন।

পরিস্থিতি সামলাতে সরকার কী ধরনের পদক্ষেপ নিচ্ছে, তা জানিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। গতকাল বিকেলে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, আগামী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে যুক্তরাষ্ট্রকে দুটি চিঠি দেবে সরকার। প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস একটি চিঠি দেবেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে। বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন আরেকটি চিঠি দেবেন যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য দপ্তর ইউএসটিআরকে।

যুক্তরাষ্ট্রকে যে দুটি চিঠি দেওয়া হবে তাতে কী থাকবে, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে প্রেস সচিব বলেন, বৈঠকে উপস্থিত সবাই মতামত দিয়েছেন। বাংলাদেশ কী কী কর্মপরিকল্পনা গ্রহণ করছে, চিঠিতে সেগুলোর উল্লেখ থাকবে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিনিধির সঙ্গে প্রতিনিয়তই কথা হচ্ছে। চিঠি হবে ব্যবসাবান্ধব। সেখানে বাংলাদেশের ব্যবসার স্বার্থকে দেখা হবে, যাতে দুই দেশ সমানভাবে লাভবান হতে পারে। বিশ্বের সবচেয়ে বড় বাজার যুক্তরাষ্ট্র। সেখানে বাংলাদেশের রপ্তানি আরও বাড়ানোর সুযোগ রয়েছে।

সমকাল প্রধান শিরোনাম করেছে, ‘ওষুধ ও সেবা মিলছে না, শিশু-মাতৃমৃত্যুর ঝুঁকি’
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, অর্থ সংকটের কারণে দেশে ৪ হাজার ৫৬২টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রে সেবা কার্যক্রমে স্থবিরতা দেখা দিয়েছে। ১০ মাস ধরে অনেক কেন্দ্রে বিনামূল্যের ওষুধ মিলছে না। বন্ধ আছে সন্তান প্রসবের আগে জরুরি পরীক্ষা-নিরীক্ষাও। 

বিশেষজ্ঞরা বলছেন, মা ও শিশুমৃত্যুর হার কমাতে ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রেগুলো প্রতিষ্ঠা করা হয়েছিল। এসব কেন্দ্রে বেশির ভাগ নিম্ন আয়ের মানুষ সেবা নেন। বর্তমান সংকট চিকিৎসাসেবা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি শিশু ও মাতৃমৃত্যুর হার বৃদ্ধির ঝুঁকি তৈরি করেছে।

স্বাস্থ্যসেবা বিভাগ সূত্র জানায়, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সেবামূলক কার্যক্রম পরিচালিত হয় কৌশলগত পরিকল্পনার (ওপি) মাধ্যমে। ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রেগুলো এর আওতায় পরিচালিত হয়। এর অর্ধেক ব্যয় সরকার বহন করে, বাকি অর্থ আসে দাতা সংস্থাগুলো থেকে। প্রতিদিন গড়ে ৬৫ থেকে ৭০ লাখ মানুষ সেবার জন্য যেত। এ হিসাবে প্রায় পৌনে সাত কোটি মানুষ ওষুধ ও সেবা থেকে বঞ্চিত হয়েছে।

মানবজমিন প্রধান শিরোনাম করেছে, ‘নির্বাচন প্রশ্নে যে কৌশলে হাঁটছে বিএনপি’
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, জাতীয় সংসদ ভোটকে সামনে রেখে নির্বাচন ও রাজনৈতিক ঐক্য গড়ে তুলতে বিভিন্ন দল ও জোটের সঙ্গে আলোচনা শুরু করেছে বিএনপি। এরই অংশ হিসেবে শনিবার হেফাজতে ইসলামের সঙ্গে বৈঠক করেছে দলটি। সামনে যুগপৎ আন্দোলনের শরিক দল এবং জোটসহ বাম-ডান দলগুলোর সঙ্গেও আলোচনা করবে। তাদের এক প্ল্যাটফরমে এনে ডিসেম্বরের মধ্যেই নির্বাচনের দাবিতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের ওপর চাপ প্রয়োগ করতে মাঠে সোচ্চার থাকবে বিএনপি। দলটি মনে করছে গণঅভ্যুত্থান পরবর্তী রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্য একটি নির্বাচিত সরকার প্রতিষ্ঠা দরকার। গণতান্ত্রিক সরকার প্রতিষ্ঠিত হলে দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্র মোকাবিলা সহজ হবে। নির্বাচন প্রলম্বিত হলে যড়যন্ত্রের ডালপালা বিস্তৃত হতে পারে।

ওদিকে ডিসেম্বরের মধ্যেই জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনে দ্রুত রোডম্যাপ ঘোষণার বিষয়ে আলোচনা করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে দেখা করার পরিকল্পনা করেছে বিএনপি। নির্বাচনী রোডম্যাপ চেয়ে দলের নেতারা বিভিন্ন সময়ে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়ে আসছেন। বিএনপি মনে করে নির্বাচনের রোডম্যাপ ঘোষণা হলে দলগুলো নির্বাচনী প্রস্তুতি শুরু করতে পারবে। 

কালের কণ্ঠ প্রধান শিরোনাম করেছে, ‘ক্রয়াদেশ নিয়ে শঙ্কা, উদ্বেগ’
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রে রপ্তানি পণ্যে ৩৭ শতাংশ শুল্ক আরোপের ঘটনায় বৈশ্বিক ক্রেতারা নড়েচড়ে বসছেন। তাঁদের কেউ কেউ আগের অর্ডার স্থগিত করেছেন, কেউ বা আপাতত শিপমেন্ট না করতে বা উৎপাদনও বন্ধ রাখতে বলেছেন বলে খবর প্রকাশিত হয়েছে। এ নিয়ে উদ্যোক্তাদের মধ্যে উদ্বেগ-উৎকণ্ঠা দেখা দিয়েছে। এমন ঘটনা ঘটতে থাকলে পণ্য রপ্তানি কমে যাওয়া, রপ্তানি বিল পাওয়াসহ তাঁরা নানা রকম বাধার মুখে পড়তে পারেন বলে জানা গেছে।

এ ব্যাপারে বিকেএমইএর সাবেক প্রেসিডেন্ট ফজলুল হক কালের কণ্ঠকে বলেন, ‘গত কয়েক মাসে আমি যুক্তরাষ্ট্রে পণ্য পাঠাইনি। তবে আমি শুনেছি, কারো কারো অর্ডার আপাতত স্থগিত করার কথা বলেছেন ক্রেতারা।’

বিকেএমইএর প্রেসিডেন্ট মোহাম্মদ হাতেম বলেন, ‘এখনো সব পরিষ্কার নয়। দুটি ফুটওয়্যার প্রতিষ্ঠানের রপ্তানি আপাতত স্থগিত করার কথা জেনেছি। তবে আমি নিট পোশাক খাতে অর্ডার স্থগিত বা বাতিলের নির্দেশনা পাইনি।’

ট্রাম্প প্রশাসনের নতুন শুল্কনীতির ফলে বৈশ্বিক ক্রেতা প্রতিষ্ঠানগুলোর অনৈতিক সুযোগ নেওয়ার আশঙ্কা করছেন দেশের তৈরি পোশাক খাতের উদ্যোক্তারা। তাঁরা বলেন, এই সুযোগে কোনো কোনো ক্রেতা প্রতিসমান পণ্য স্থগিত, বাতিল, ডিসকাউন্ট বা পণ্যের মূল্য পরিশোধে বিলম্ব করতে পারে। এই প্রেক্ষাপটে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকতে না পেরে ছোট ছোট বেশ কিছু কারখানা বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

আজকের পত্রিকা প্রধান শিরোনাম করেছে, ‘রুশ যুদ্ধে শত বাংলাদেশি’
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিদেশে ভালো কাজের লোভ দেখিয়ে বাংলাদেশের তরুণদের এবার ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে রাশিয়ার ভাড়াটে যোদ্ধা বানাচ্ছে মানব পাচারকারীরা। জনপ্রতি মোটা অঙ্কের টাকা নিয়ে তাঁদের সৌদি আরবসহ বিভিন্ন দেশ হয়ে নেওয়া হচ্ছে রাশিয়ায়। সেখানে জোর করে চুক্তিনামায় সই করিয়ে যোদ্ধা হিসেবে পাঠানো হচ্ছে যুদ্ধে। এ পর্যন্ত অন্তত ১০০ তরুণ এভাবে দেশটিতে গেছেন। তাঁদের মধ্যে তিনজন নিহত ও বেশ কয়েকজনের আহত হওয়ার খবরও এসেছে।

বিষয়টি নজরে আসার পর ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ আন্তর্জাতিক তিন বিমানবন্দরেই নজরদারি বাড়ানো হয়। কিন্তু এরপরও সোনার হরিণ ধরার স্বপ্নে বিভোর তরুণদের যুদ্ধের ফাঁদে পড়া ঠেকানো যাচ্ছে না। গত জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত রাশিয়াগামী সন্দেহে ১১ তরুণকে ঢাকার বিমানবন্দর থেকে ফেরত পাঠানো হয়েছে।

তরুণদের দালালদের মাধ্যমে জোগাড় করে রাশিয়ায় পাঠাচ্ছে একাধিক ট্রাভেল এজেন্সি। এক দালালকে গ্রেপ্তারের পর কয়েকটি ট্রাভেল এজেন্সির ওপর নজরদারি করছে প্রশাসন। আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরগুলোয় বিশেষ সতর্কতা জারির অনুরোধ করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। ইতিমধ্যে ফাঁদে পড়ে রাশিয়ার হয়ে যুদ্ধে যাওয়া ১০০ তরুণের কয়েকজনের অবস্থান শনাক্ত হলেও বাকিদের খোঁজ নেই। যুদ্ধক্ষেত্র থেকে পালিয়ে আসা ও যুদ্ধাহত কয়েকজন দেশে ফেরার আকুতি জানিয়েছেন পরিবারের কাছে।

নয়া দিগন্ত প্রধান শিরোনাম করেছে, ‘যুক্তরাষ্ট্রের পর বিক্ষোভ ইউরোপেও’
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও তার উপদেষ্টা ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে যুক্তরাষ্ট্রসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে বিক্ষোভ হয়েছে। ট্রাম্পের নতুন শুল্কনীতি ঘোষণার পর অর্থনৈতিক খাতে শোচনীয় অবস্থার পর বিক্ষোভে নেমেছেন এসব মানুষ।

শনিবার জার্মানির বার্লিন ও ফ্রাঙ্কফুর্ট, ফ্রান্সের প্যারিস ও লন্ডনে একত্র হন বিক্ষোভকারীরা। একই দিনে যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন রাজ্যেও ট্রাম্পবিরোধী বিক্ষোভ হয়েছে। এর সাথে মিল রেখে জার্মানির ফ্রাঙ্কফুর্টে হ্যান্ডস অব নামে বিক্ষোভ হয়। বিদেশে বসবাসরত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিক ডেমোক্র্যাট দলের সদস্যরা এ বিক্ষোভের ডাক দেন। জার্মানির বার্লিনে টেসলার বিক্রয়ক্রেন্দ্রের সামনে বিক্ষোভকারীরা জড়ো হন। এ সময় তাদের হাতে বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ছিল। প্ল্যাকার্ডে জার্মানিতে বসবাসরত যুক্তরাষ্ট্রের নাগরিকদের বিক্ষোভে যোগ দেয়ার আহ্বান জানানো হয়।

ফ্রাঙ্কফুর্ট শহরে বিক্ষোভে অংশ নেয়া ডেমোক্র্যাট সমর্থকেরা ট্রাম্পকে প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব ছেড়ে দেওয়ার দাবি জানান। তাদের হাতে ধরা ব্যানার ও প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল ‘গণতন্ত্র রক্ষা করুন’, ‘হ্যান্ডস অব’ বা ‘আমাদের নিজের মতো চলতে দাও’, ‘ট্রাম্প তোমার কর্মকাণ্ডে বিশ্ববাসী বিরক্ত, তুমি চলে যাও’। বার্লিনে ইলন মাস্কের বিরুদ্ধে স্লোগান দিয়েছেন বিক্ষোভকারী। তারা বলেছেন, ‘ইলন তোমাকে কেউ ভোট দেয়নি’। ফ্রান্সের রাজধানী প্যারিসের প্যালেস দে লা রিপাবলিকেও ট্রাম্পের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ হয়েছে। এতে দুই শতাধিক বিক্ষোভকারী অংশ নেন। যাদের বেশির ভাগই মার্কিন নাগরিক।

এমবি 

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন