Logo

নির্বাচিত

বাংলাদেশের পত্রিকা থেকে

প্রশাসনে বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা

Icon

ডিজিটাল ডেস্ক

প্রকাশ: ২৭ মে ২০২৫, ১১:১১

অ
প্রশাসনে বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা

বাংলাদেশের খবর
সুরাহা হয়নি গুরুত্বপূর্ণ বেশ কিছু সুপারিশের
বাংলাদেশের খবরের প্রথম পাতায় বলা হয়েছে, দেশে তত্ত্বাবধায়ক সরকার পুনঃপ্রতিষ্ঠার ব্যাপারে রাজনৈতিক দলগুলোর ভিতরে কোনো দ্বিমত নেই। আর দ্বিকক্ষবিশিষ্ট আইনসভা গঠনের ব্যাপারে বেশিরভাগ দল নীতিগতভাবে একমত হয়েছে।

কিছু দল অবশ্য এক কক্ষবিশিষ্ট আইনসভা বহাল রাখার পক্ষে মত দিয়েছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় ঐকমত্য কমিশনের সহ-সভাপতি আলী রীয়াজ। গতকাল জাতীয় সংসদের একটি হলে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা জানান। তিনি এ সময় বলেন, সংবিধান সংস্কার কমিশনের সুপারিশগুলোর ক্ষেত্রে অনেক বিষয়ে নীতিগত ঐকমত্য হলেও অনেক বিষয়ে আরও আলোচনার প্রয়োজন আছে।

তিনি জানান, সংবিধান বিষয়ে ঐকমত্য বা আংশিক ঐকমত্য আছে-তার মধ্যে সংবিধানে রাষ্ট্রের মূলনীতি হিসেবে 'সাম্য, মানবিক মর্যাদা, সামাজিক সুবিচার, বহুত্ববাদ এবং গণতন্ত্র' অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাবে 'বহুত্ববাদ' না রাখার ব্যাপারে বেশির ভাগ দল মতামত দিয়েছে। অন্য চারটি মূলনীতির ব্যাপারে এক ধরনের ঐকমত্য আছে।

তবে অনেক দল এই চারটির বাইরেও অন্যান্য বিষয় যুক্ত করার কথা বলেছে। নাগরিকদের সামাজিক, রাজনৈতিক এবং অর্থনৈতিক অধিকার সম্প্রসারিত করা এবং সেগুলোর কিছু কিছু বিষয় রাষ্ট্রের বাধ্যবাধকতা তৈরি করা। 

ইত্তেফাক
প্রশাসনে বিশৃঙ্খলার আশঙ্কা
ইত্তেফাকের প্রথম পাতায় বলা হয়েছে, 'সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ-২০২৫' প্রত্যাহারের দাবিতে গতকাল সোমবার টানা তৃতীয় দিনের মতো সচিবালয়ে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ করেছেন বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের কর্মচারীরা।

এখন থেকে সচিবালয়ে কর্মরত কর্মচারীদের সবগুলো সংগঠন মিলে 'বাংলাদেশ সচিবালয় কর্মকর্তা-কর্মচারী ঐক্য ফোরাম' নামে কর্মসূচি চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেওয়া হয়েছে।

আপাতত নন-ক্যাডার কর্মকর্তারাই আন্দোলন চালিয়ে যাবেন বলে সংগঠনটির নেতারা জানিয়েছেন। তারা আজ মঙ্গলবার ফের বিক্ষোভ মিছিল করার ঘোষণা দিয়েছেন।

গতকাল বেলা আড়াইটার দিকে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের নতুন ভবনের নিচে ঐক্য ফোরামের নেতারা এ কর্মসূচি ঘোষণা করেন। পাশাপাশি একই ধরনের কর্মসূচি পালনের জন্য সচিবালয়ের বাইরে সারা দেশের সরকারি দপ্তরের কর্মচারীদের প্রতি আহ্বান জানানো হয়েছে।

এর ফলে সচিবালয়ের এই আন্দোলন সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা। তারা বলছেন, যদি সংলাপের মাধ্যমে সমাধানে পৌঁছানো না যায়, তাহলে এই অধ্যাদেশ বাংলাদেশের প্রশাসনিক কাঠামোতে একটি বড় ধরনের বিশৃঙ্খলার সৃষ্টি করতে পারে।

বণিক বার্তা
ব্যাপক উৎসাহ সত্ত্বেও বাংলাদেশে জাপানি ব্যবসায়ীদের বিনিয়োগ নগণ্য
বণিক বার্তার প্রথম পাতায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশে জাপানের বিনিয়োগ সম্ভাবনা অনেক দিন ধরেই আলোচিত। দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক বিবেচনায় বাংলাদেশে অন্যতম বৃহৎ ঋণদাতা দেশও জাপান। শুধু জাপানি বিনিয়োগকারীদের আকৃষ্ট করতে রয়েছে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চলও। কিন্তু সম্পর্কের এ ঘনিষ্ঠতা বাংলাদেশে জাপানের বেসরকারি খাতের বিনিয়োগপ্রবাহে তেমন দৃশ্যমান নয়।

বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০২৪ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত বাংলাদেশে জাপানের এফডিআই স্টকের (পুঞ্জীভূত প্রত্যক্ষ বিদেশি বিনিয়োগ) স্থিতি ৪৯ কোটি ৮০ লাখ ডলার।

এর সঙ্গে জাপান টোব্যাকোর (জেটি) বিনিয়োগপ্রবাহ বিবেচনায় নিলে বাংলাদেশে জাপানের এফডিআই ২০০ কোটি ডলারের মতো হবে। কিন্তু অন্য দেশ থেকে আসায় জেটির বিনিয়োগের উৎস দেশ হিসেবে জাপানকে বিবেচনা করা হয়নি।

তার পরও বিনিয়োগের এ অংককে সম্ভাবনার চেয়ে অনেক কম বলে মনে করছেন বাংলাদেশে জাপানি বিনিয়োগ-সংশ্লিষ্টরা।

সমকাল
সমস্যাগ্রস্ত ২০ আর্থিক প্রতিষ্ঠান একীভূত হচ্ছে
সমকালের প্রথম পাতায় বলা হয়েছে, চরম খারাপ অবস্থায় থাকা ২০টি ব্যাংকবহির্ভূত আর্থিক প্রতিষ্ঠান একীভূত করার উদ্যোগ নিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। আমানতকারীর জমানো টাকা ফেরত দিতে না পারা, উচ্চ খেলাপি ঋণ ও মূলধন ঘাটতি— এ তিন সূচকের ভিত্তিতে এসব প্রতিষ্ঠান চিহ্নিত করা হয়েছে।

সব প্রতিষ্ঠানকে একীভূত করে একটি বা দু'টি প্রতিষ্ঠান হতে পারে। গড়ে এসব প্রতিষ্ঠানের মোট ঋণের ৮৩ দশমিক ১৬ শতাংশ খেলাপি। মোট ২২ হাজার ১২৭ কোটি টাকা আমানতের বিপরীতে লোকসান ২৩ হাজার ৪৪৮ কোটি টাকা। মূলধন ঘাটতি রয়েছে ১৯ হাজার ২১৮ কোটি টাকা। তাদের লাইসেন্স কেন বন্ধ করা হবে না— জানতে চেয়ে কেন্দ্রীয় ব্যাংক এরই মধ্যে প্রতিটি প্রতিষ্ঠানকে নোটিশ দিয়েছে। সম্প্রতি বাংলাদেশ ব্যাংক ও অর্থ মন্ত্রণালয়ের সমন্বয়ে গঠিত একটি কমিটি ২০ আর্থিক প্রতিষ্ঠানকে সমস্যাগ্রস্ত হিসেবে চিহ্নিত করে একটি পর্যালোচনা প্রতিবেদন তৈরি করেছে।

গত জানুয়ারি থেকে এ কমিটি কাজ করছে। কমিটিকে আর্থিক প্রতিষ্ঠান পুনর্গঠন ও একীভূতকরণে আইনগত ও কারিগরি ঝুঁকি বা প্রতিবন্ধকতা চিহ্নিত করতে বলা হয়। এ ক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় অর্থায়ন ও উৎস বের করতে বলা হয়। আর্থিক সূচক, ঋণের প্রকৃত অবস্থা নিরূপণ, তারল্য পরিস্থিতি পর্যালোচনা এবং সম্পদ দায়ের পরিমাণের ভিত্তিতে যা ঠিক করতে হবে।

আজকের পত্রিকা
সরকারের সঙ্গে সেনাবাহিনীর কোনো বিরোধ নেই : সেনাসদর
আজকের পত্রিকার প্রথম পাতায় বলা হয়েছে, সরকারের সঙ্গে সেনাবাহিনীর কোনো ধরনের বিরোধ বা মুখোমুখি অবস্থান নেই বলে জানিয়েছেন সেনাসদরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। তাঁরা জানিয়েছেন, রাষ্ট্রের স্বার্থ ও সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সরকার ও সেনাবাহিনী একসঙ্গে কাজ করছে।

আজ সোমবার ঢাকা সেনানিবাসে আয়োজিত ব্রিফিংয়ে একথা বলেন সেনাসদরের ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. নাজিম উদ দৌলা। তিনি বলেন, ‘সরকার ও সেনাবাহিনীর মধ্যে কোনো বিভেদ নেই। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে যেসব তথ্য প্রচারিত হচ্ছে, তা সত্য নয়।’

ব্রিগেডিয়ার জেনারেল নাজিম উদ দৌলা আরও বলেন, ‘সেনাবাহিনী সব সময় দেশের সার্বভৌমত্ব, স্থিতিশীলতা ও নিরাপত্তা রক্ষায় দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করে আসছে। সরকারের সঙ্গে আমাদের সুসম্পর্ক রয়েছে এবং আমরা সমন্বিতভাবে কাজ করছি।’ বন্দর-করিডর নিয়ে প্রশ্নের জবাবে নাজিম উদ দৌলা বলেন, জাতীয় নিরাপত্তা বিঘ্নিত হয়—এমন কোনো বিষয়ে সেনাবাহিনী কখনোই সম্পৃক্ত হবে না। দেশের স্বার্থের বাইরে গিয়ে সেনাবাহিনী কোনো সিদ্ধান্ত নেয় না।

এদিকে নির্বাচন নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে সেনাসদরের কর্নেল শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচন না হলে সেনাবাহিনী ক্ষমতা গ্রহণ করবে—এমন গুজবের কোনো ভিত্তি নেই। সেনাবাহিনীর ক্ষমতা নেওয়ার কোনো ইচ্ছা নেই, এমনকি এ বিষয়ে আমাদের অভ্যন্তরেও কোনো আলোচনা হয়নি।’

দেশ রূপান্তর
নির্দিষ্ট রোডম্যাপের দাবি থেকে সরবে না বিএনপি
দেশ রূপান্তরের প্রথম পাতায় বলা হয়েছে, নির্বাচনের সুনির্দিষ্ট রোডম্যাপ চেয়ে সরকারের ওপর চাপ অব্যাহত রাখবে বিএনপি। তবে তারা সরকার কী ধরনের পদক্ষেপ করে, তা দেখে পরের করণীয় ঠিক করবে।

দলটি ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনের লক্ষ্যে রোডম্যাপ প্রকাশের দাবি থেকে সরছে না, এটা নিশ্চিত বলা চলে। সরকার স্পষ্ট সময়সূচি না দিলে কর্মসূচির দিকে যাবে বলে দলটি।

বিএনপির একাধিক সিনিয়র নেতা জানান, আগামী এক-দুই মাসের মধ্যে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট না হলে রাজনৈতিক কর্মসূচি নতুন মাত্রায় নিয়ে মাঠে নামার পরিকল্পনা রয়েছে তাদের। সভা-সমাবেশ, সেমিনারসহ নানা ফোরামে এ ইস্যুতে চাপ অব্যাহত রাখা হচ্ছে।

গত শনিবার প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠক করেছে বিএনপির উচ্চপর্যায়ের একটি প্রতিনিধিদল। তবে তখনও সন্তুষ্ট হতে পারেনি তারা। কারণ, প্রধান উপদেষ্টা নির্বাচনের কোনও নির্দিষ্ট রোডম্যাপ উপস্থাপন না করে আগের অবস্থানই পুনর্ব্যক্ত করেছেন।

নয়া দিগন্ত
সবার ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর সরকার: প্রধান উপদেষ্টা
নয়া দিগন্তের প্রথম পাতায় বলা হয়েছে, গতকাল রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় প্রধান উপদেষ্টার সাথে সাক্ষাৎ করেন আন্তর্জাতিক ধর্মীয় স্বাধীনতাবিষয়ক মার্কিন কমিশনের (ইউএসসিআইআরএফ) চেয়ারম্যান স্টিফেন শ্নেক।

তখন প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ ইউনূস তাকে বলেছেন, সরকার দেশের প্রত্যেক নাগরিকের ধর্মীয় স্বাধীনতা নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর।

সংখ্যালঘুদের বিরুদ্ধে সহিংসতার অভিযোগের প্রসঙ্গে ড. ইউনূস বলেন, বাস্তব অবস্থা যাচাইয়ের জন্য বিশ্বব্যাপী সাংবাদিকদের বাংলাদেশে স্বাগত জানিয়ে সরকার স্বচ্ছতা নিশ্চিত করছে। তিনি বলেন, যেকোনো সাংবাদিক যেকোনও সময় বাংলাদেশে আসতে পারেন।

যুগান্তর
হঠাৎ আইনশৃঙ্খলার অবনতি
যুগান্তরের প্রথম পাতায় বলা হয়েছে, ঢাকাসহ সারা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি ঘটেছে। যেভাবে চলছে তা অব্যাহত থাকলে সামনের পরিস্থিতি আরও অবনতি হবে বলে আশঙ্কা করছেন আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার কর্মকর্তারাই। তারা জানান, বেশকিছু কারণে আশঙ্কা বাড়ছে।

যেমন–পুনর্গঠিত জেলা ও বিভাগীয় আইনশৃঙ্খলা কমিটিতে পুলিশকে অবমূল্যায়ন, মব ভায়োলেন্স, পুলিশকে ভয় না পাওয়া, রাজনৈতিক অস্থিতিশীলতা।

বিশেষ করে ঢাকায় এই অপরাধের মাত্রা বেশি লক্ষ্য করা যাচ্ছে অনেক এলাকা আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যাচ্ছে। অনেকেই সন্ধ্যার পর বাসা থেকে বের হচ্ছেন না। ভুক্তভোগীরা বলছেন, অপরাধের তাৎক্ষণিক প্রতিকার চেয়ে তারা কোনও সুফল পাচ্ছেন না।

প্রাসঙ্গিক সংবাদ পড়তে নিচের ট্যাগে ক্লিক করুন

বাংলাদেশের পত্রিকা থেকে

Logo
সম্পাদকমণ্ডলীর সভাপতি মোস্তফা কামাল মহীউদ্দীন ভারপ্রাপ্ত সম্পাদক সৈয়দ মেজবাহ উদ্দিন