বাংলাদেশের পত্রিকা থেকে
শেখ হাসিনার নির্দেশেই নির্বিচারে গুলি
বাংলাদেশের খবর
প্রকাশ: ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ০৯:৪৬
ছবি : সংগৃহীত
প্রিয় পাঠক, রাঙা সকালে চায়ের ধোঁয়ার সঙ্গে উড়ে যাক আপনার সকল গ্লানি। প্রতিটি চুমুকে সুখ নামুক। বইমেলার উল্লাসে আগামীদিন আরও প্রাপ্তির হোক— এই প্রত্যাশায় চলুন জেনে নিই আজকের দিনের বাংলাদেশকে। চোখ বুলাই দেশের শীর্ষ দৈনিকগুলোর প্রধান প্রতিবেদনে—
ইসিতে ভোটের প্রস্তুতি
বাংলাদেশের খবরে লিড করা হয়েছে, ফ্যাসিস্ট সরকার হাসিনার পতনের পর সর্বত্র আলোচনায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন। আওয়ামী লীগ ছাড়া দেশের সব রাজনৈতিক দল একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষ্যে অন্তর্বর্তী সরকারের উপরে চাপ সৃষ্টি করে আসছে। এরই মধ্যে প্রধান উপদেষ্টা এক ভাষণেও বলেছেন, নির্বাচন হতে পারে বছরের শেষ দিকে।
এদিকে সরকারপ্রধান ঘোষিত সময়সূচি ধরেই নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার কথা উন্নয়ন সহযোগীদের কাছে তুলে ধরেছে নির্বাচন কমিশন। গতকাল মঙ্গলবার ইউএনডিপিসহ উন্নয়ন সহযোগী ১৮টি দেশের রাষ্ট্রদূত ও প্রতিনিধির সঙ্গে বৈঠক করে ইসি।

পরে ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ডিসেম্বরে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্যে প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর বাইরে এ মুহূর্তে অন্য নির্বাচনের প্রস্তুতি ইসি নিচ্ছে না। তবে সরকার চাইলে জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন আয়োজন করবে ইসি।
হাসিনার বিরুদ্ধে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘ
প্রথম আলো লিড করেছে, ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত সরকার ও সেই সময়ের ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগের শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রমাণ পেয়েছে জাতিসংঘের তথ্যানুসন্ধান দল। স্বৈরাচারী সরকার নিরাপত্তা বাহিনী, গোয়েন্দা সংস্থা এবং দল ও সহযোগী সংগঠনগুলোকে যুক্ত করে মাত্রাতিরিক্ত বল প্রয়োগ করেছে। বিচারবহির্ভূত হত্যা, নির্বিচার মারণাস্ত্র দিয়ে গুলি, গ্রেপ্তার, নির্যাতন, চিকিৎসা পেতে বাধা দেওয়ার মতো গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন করেছে সরকার। মূলত ক্ষমতায় টিকে থাকতে আন্দোলনকারীদের ওপর মাত্রাতিরিক্ত বলপ্রয়োগে সরাসরি নির্দেশ দিয়েছিলেন তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান।
বাংলাদেশে ২০২৪ সালের ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট সংঘটিত ঘটনাপ্রবাহ বিশ্লেষণ করে জাতিসংঘের মানবাধিকারবিষয়ক হাইকমিশনারের দপ্তরের (ওএইচসিএইচআর) তথ্যানুসন্ধান প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে এসেছে। ১২৭ পৃষ্ঠার এ প্রতিবেদনে ওই সময়ের নৃশংসতা ও মানবতাবিরোধী অপরাধের জন্য বিগত সরকার ও শাসক দল আওয়ামী লীগকে সরাসরি দায়ী করা হয়েছে।
কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, ওএইচসিএইচআরের তথ্যানুসন্ধান প্রতিবেদনটি আজ বুধবার জেনেভা থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হবে। গত মাসের শেষ সপ্তাহে জাতিসংঘের মানবাধিকার কমিশন বাংলাদেশ সরকারের কাছে প্রতিবেদনের খসড়া দিয়েছিল। কোনো মতামত থাকলে তাতে যুক্ত করার জন্য সময়সীমা দিয়ে ওএইচসিএইচআর প্রতিবেদনটি এরই মধ্যে চূড়ান্ত করেছে।

জাতিসংঘের তথ্যানুসন্ধানী দল প্রতিবেদনটি তৈরির জন্য ঢাকা ছাড়াও চট্টগ্রাম, রংপুর, রাজশাহী, খুলনা, বগুড়া, সিলেট ও গাজীপুর—এই আট শহরে অনুসন্ধান চালায়। মূলত যে শহরগুলোতে বেশি মাত্রায় বিক্ষোভ হয়েছিল, সেসব স্থানে গিয়ে সরেজমিনে কাজ করে জাতিসংঘের দলটি। প্রতিবেদন তৈরিতে অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্ত ও ঘটনাপ্রবাহের সাক্ষী ব্যক্তিদের নিয়ে ২৩০টির বেশি সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া সরকার, নিরাপত্তা বাহিনী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিদের আরও ৩৬টি সাক্ষাৎকার নেওয়া হয়েছে। এই ৩৬ জনের মধ্যে সরকারের সাবেক ও বর্তমান কর্মকর্তারাও আছেন, যাঁরা ওই সময়ের ঘটনাপ্রবাহ সম্পর্কে সরাসরি অবগত ছিলেন।
তফসিল অক্টোবর নভেম্বরে
বাংলাশে প্রতিদিন লিড করেছে, আগামী ডিসেম্বরে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠানের টার্গেট নিয়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে নির্বাচন কমিশন-ইসি। এজন্য জুনের মধ্যে ভোটার তালিকা হালনাগাদের কাজও শেষ করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। নির্বাচনি প্রস্তুতি শেষ করতে সময় নির্ধারণ করেই কাজ করছে সাংবিধানিক এই সংস্থাটি। এ ছাড়া নির্বাচনি মালামাল সংগ্রহের প্রক্রিয়া চলছে। তবে সংসদ নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন অনুষ্ঠানের কথা আপাতত ভাবছে না ইসি। সরকার চাইলে স্বল্পসংখ্যক স্থানীয় সরকার প্রতিষ্ঠানে নির্বাচন হতে পারে।
ইসির কর্মকর্তারা বলছেন, ডিসেম্বরের শেষ দিকে ভোট করতে হলে নভেম্বরের শুরুতে তফসিল ঘোষণা করতে হবে। আর ডিসেম্বরে প্রথম দিকে নির্বাচন করতে হলে অক্টোবরের মাঝামাঝিতেই তফসিল দিতে হবে। তবে সব ধরনের প্রস্তুতি শেষ করে অক্টোবরের মধ্যে তফসিল ঘোষণা করা কঠিন হবে বলে মনে করছেন কর্মকর্তারা।
আগামী ডিসেম্বর ধরেই ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের প্রস্তুতি নেওয়ার কথা উন্নয়ন সহযোগীদের জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। গতকাল বেলা ১১টায় আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে জাতিসংঘ উন্নয়ন কর্মসূচি (ইউএনডিপি), ইউরোপীয় ইউনিয়ন ও উন্নয়ন সহযোগী ১৭টি দেশের রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ইসির বৈঠক হয়।
নিয়ন্ত্রণের বাইরে দুর্নীতি
যুগান্তর লিড করেছে, দেশে ধারাবাহিকভাবে বাড়ছে দুর্নীতি। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনালের (টিআই) দুর্নীতির স্কোরে আরও পিছিয়েছে বাংলাদেশ। ১০০ নম্বরের মধ্যে বাংলাদেশের স্কোর ২৩। এ স্কোর ১৩ বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। ১৮০টি দেশের মধ্যে ২০২৪ সালে অধঃক্রম অনুযায়ী (খারাপ থেকে ভালো) বাংলাদেশের অবস্থান ১৪তম। সূচকের উচ্চক্রম অনুযায়ী (ভালো থেকে খারাপ) অবস্থান ১৫১-তে নেমেছে। অর্থাৎ দুর্নীতি মূল্যায়নের তিনটি সূচকই বলছে, দুর্নীতি বাড়ছে।
রিপোর্টে স্পষ্টভাবে বলা হয়, দুর্নীতির নিয়ন্ত্রণ হারিয়েছে বাংলাদেশ। জার্মানভিত্তিক দুর্নীতিবিরোধী সংস্থা টিআই-এর দুর্নীতির ধারণাসূচক (করাপশন পারসেপশন ইনডেক্স বা সিপিআই)-২০২৪ সালের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এসব তথ্য। বিশ্বে মঙ্গলবার একযোগে প্রতিবেদনটি প্রকাশ করা হয়। এদিন বাংলাদেশে টিআই-এর সহযোগী প্রতিষ্ঠান টিআইবি নিজস্ব কার্যালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে এ প্রতিবেদন প্রকাশ করে।

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেন টিআইবির নির্বাহী পরিচালক ড. ইফতেখারুজ্জামান। তার মতে, ৫ আগস্টের পর দেশে চাঁদাবাজি চলছে। তবে ব্যানারের পরিবর্তন হয়েছে। এছাড়া দেশ থেকে অর্থ পাচারের অন্যতম গন্তব্য ভারত। সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন টিআইবির উপদেষ্টা (নির্বাহী ব্যবস্থাপনা) অধ্যাপক সুমাইয়া খায়ের, পরিচালক (আউটরিচ অ্যান্ড কমিউনিকেশন) মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম।
জুলাই গণহত্যার মূল হোতারা চিহ্নিত
আমার দেশ লিড করেছে, জাতিসংঘের ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং মিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদনে জুলাই গণহত্যায় জড়িত মূল হোতাদের চিহ্নিত করা হয়েছে। এই রিপোর্টটি আজ বাংলাদেশ সময় বেলা আড়াইটায় জেনেভায় অবস্থিত জাতিসংঘ কার্যালয় থেকে প্রকাশ করা হবে।
একাধিক কূটনৈতিক সূত্রে জানা গেছে, রিপোর্টে গণহত্যায় জড়িত মূল হোতাদের বিস্তারিত পরিচয় তুলে ধরা হয়েছে। এতে বলা হয়েছে, ছাত্রদের বিরুদ্ধে অপারেশন পরিকল্পনা ও বাস্তবায়নে সরাসরি ভূমিকা রেখেছেন ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

শেখ হাসিনা নিজেই বিক্ষোভকারীদের হত্যা ও লাশ গুম করার নির্দেশ দেন। রিপোর্টে জুলাই-আগস্ট গণহত্যায় তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী, স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী ছাড়াও একাধিক মন্ত্রী এবং পুলিশ, সেনাবাহিনীসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর ভূমিকার কথাও বিস্তারিতভাবে তুলে ধরা হয়েছে।
বাংলাদেশে সংঘটিত জুলাই-আগস্ট অভ্যুত্থানের সময় মানবাধিকার লঙ্ঘনবিষয়ক এক সংবাদ সম্মেলনের মাধ্যমে আনুষ্ঠানিকভাবে এই প্রতিবেদন প্রকাশ করা হবে বলে আগেই সংস্থাটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।
শেখ হাসিনার নির্দেশেই নির্বিচারে গুলি
সমকাল লিড করেছে, ক্ষমতায় টিকে থাকতে অভ্যুত্থানের সময় ছাত্র-জনতার ওপর অতিরিক্ত বলপ্রয়োগের সরাসরি নির্দেশ দিয়েছিলেন সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সঙ্গে ছিলেন সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামালও। নির্দেশনা পেয়ে আন্দোলন ঠেকাতে অতিরিক্ত বলপ্রয়োগে উঠেপড়ে লাগে নিরাপত্তা বাহিনীগুলো। জাতিসংঘের তথ্যানুসন্ধান দলের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এমন তথ্য।
পাশাপাশি জুলাই-আগস্টে বাংলাদেশে গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘনের প্রমাণও পেয়েছে দলটি। বিচারবহির্ভূত হত্যা, নির্বিচারে মারণাস্ত্র দিয়ে গুলি চালানো, গ্রেপ্তার, আটক, নির্যাতন, চিকিৎসা পেতে বাধা দেওয়ার মতো গুরুতর মানবাধিকার লঙ্ঘন করে আওয়ামী লীগ ও বাংলাদেশের বাহিনীগুলো। এসব কারণে আন্দোলনের সময় সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনকে মানবতাবিরোধী অপরাধ বলছে জাতিসংঘ।

প্রতিবেদনে র্যাব ও এনটিএমসিকে বিলুপ্ত কার দেওয়ার সুপারিশ করা হয়েছে। সেই সঙ্গে বাংলাদেশে কোনো রাজনৈতিক দলকে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। পাশাপাশি বাংলাদেশে মানবাধিকার নিশ্চিত করতে অবাধ ও সত্যিকারের নির্বাচনের জন্য নিরাপদ ও সহায়ক পরিবেশ নিশ্চিতের পরামর্শ দিয়েছে জাতিসংঘ। শেখ হাসিনা সরকার বিদায় নেওয়ার পর ১ জুলাই থেকে ১৫ আগস্ট পর্যন্ত বাংলাদেশের মানবাধিকার লঙ্ঘনের তথ্যানুসন্ধান করে জাতিসংঘ মানবাধিকার কমিশন। একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ দল বাংলাদেশে এসে তথ্য-উপাত্ত নিয়ে প্রতিবেদনটি তৈরি করে। তবে চাহিদা অনুযায়ী সম্পূর্ণ তথ্য পায়নি তথ্যানুসন্ধান দল। আজ বুধবার প্রতিবেদনটি আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ হতে যাচ্ছে। প্রকাশের আগেই প্রতিবেদনের অনুলিপি হাতে পেয়েছে সমকাল।
আশ্বাস পেলেও সরকারকে চাপে রাখবে বিএনপি
মানবজমিন লিড করেছে, চলতি বছরের ডিসেম্বরের মধ্যে জাতীয় সংসদ নির্বাচন আয়োজনের উদ্যোগের প্রস্তুতি নেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সরকার প্রধানের এমন বক্তব্যে আশ্বস্ত হয়েছে বিএনপি। তবে নির্ধারিত এই সময়েই যাতে নির্বাচন আয়োজন করে সরকার তার জন্য চাপ অব্যাহত রাখতে চায় দলটি। নির্বাচন প্রলম্বিত হতে পারে নানা পক্ষের এমন আশঙ্কার কারণে বিএনপি নির্বাচনী রোডম্যাপ ঘোষণা ও নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু করতে সরকারের প্রতি চাপ প্রয়োগের কৌশল নিয়ে এগোবে।
সরকারকে চাপে রাখতে পূর্বঘোষিত ঢাকাসহ দেশব্যাপী সভা-সমাবেশের কর্মসূচি পালন করবে দলটি। গত সোমবার চেয়ারপারসনের গুলশান রাজনৈতিক কার্যালয়ে বিএনপি’র সর্বোচ্চ নীতিনির্ধারণী ফোরাম জাতীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়েছে। এতে লন্ডন থেকে ভার্চ্যুয়ালি যুক্ত হয়ে সভাপতিত্ব করেন বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
প্রধান উপদেষ্টার সঙ্গে বৈঠকের পর ওইদিন রাতে বিএনপি’র স্থায়ী কমিটির বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। সেখানে অন্তর্বর্তী সরকারের সঙ্গে আলোচনার বিষয়বস্তু স্থায়ী কমিটিকে অবহিত করেন বৈঠকে অংশ নেয়া তিন নেতা। ওই নেতারা বলেন, প্রধান উপদেষ্টা এবং তার সঙ্গে যারা ছিলেন তারা আশ্বস্ত করেছেন, অতি দ্রুত নির্বাচনের ব্যবস্থা করা হবে। নির্বাচন নিয়ে প্রধান উপদেষ্টার এমন আশ্বাসের পরও বিএনপি নেতারা মনে করছেন, এরপরও বাধা আসতে পারে। কারণ নির্বাচন প্রলম্বিত করতে কয়েকটি ইসলামী দল সায় দিচ্ছে। অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের একটি অংশেরও এতে সায় আছে। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পক্ষ থেকে দল গঠনের বিষয়টিও আলোচনা হয় বৈঠকে। নির্বাচনের প্রস্তুতির জন্য তারা কিছুটা সময় নিতে চাইবে।
এটিআর/

