বাংলাদেশের পত্রিকা থেকে
খুশি করতে না পারলেই কপাল পোড়ে মিলারের
ডিজিটাল ডেস্ক
প্রকাশ: ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৫, ১০:২২
ছবি : সংগৃহীত
অর্থনীতি খাদের কিনারে পেয়েছে অন্তর্বর্তী সরকার
বাংলাদেশের খবরে লিড করা হয়েছে, অন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব নেওয়ার সময় দেশের অর্থনীতি খাদের কিনারে পেয়েছে। বর্তমানে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতির অবস্থা মোটামুটি ভালো। রাজস্ব বাড়াতে গ্রামের ডাক্তার ও ব্যবসায়ীদের করের আওতায় আনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। শিগগিরই জুলাই অধিদফতর আত্মপ্রকাশ করতে যাচ্ছে।
জুলাই অভ্যত্থানের শহীদদের জুলাই শহীদ এবং আহতদের জুলাই যোদ্ধা হিসেবে স্বীকৃতি দিয়ে নাম ঘোষণা করা হবে। স্বীকৃতিপ্রাপ্ত জুলাই যোদ্ধারা ক্যাটাগরি অনুযায়ী এককালীন ও মাসিক ভাতা পাবেন। গতকাল জেলা প্রশাসক সম্মেলনের দ্বিতীয় দিনে বিভিন্ন সেশনে মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টারা মতবিনিময় করেছেন।
এ সময় উপদেষ্টারা ডিসিদের বিভিন্ন পরামর্শ দিয়েছেন। দিয়েছেন প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও। জেলা প্রশাসকদের সঙ্গে মতবিনিময় শেষে উপদেষ্টারা সাংবাদিকদের সঙ্গে আলোচনা বিভিন্ন দিক তুলে ধরেছেন। ডিসিদের সেবার মান ও পরিধি বাড়ানোর পরামর্শ দিয়ে উপদেষ্টারা বলেন, সরকারের যেকোনও সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন হয় মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের দিয়ে।
তিস্তা বাঁচাতে উত্তরের পাঁচ জেলায় অবস্থান
প্রথম আলো লিড করেছে, আন্তর্জাতিক নদী হওয়া সত্ত্বেও তিস্তার পানি ইচ্ছেমতো আটকে রাখে বা প্রত্যাহার করে ভারত। তারা নদীতে বাঁধ দিয়ে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে; কিন্তু বাংলাদেশের কৃষকেরা পানির অভাবে ফসল ফলাতে পারেন না। আবার বর্ষার মৌসুমে পানি ছেড়ে দিলে ভাঙে বসতবাড়ি, নষ্ট হয় ফসল। নদী ও নদীপারের বাসিন্দাদের রক্ষায় সোচ্চার হতে হবে। ভারতকে বলতে হবে, ‘আমার পানির ন্যায্য হিস্যা আমি চাই।’
গতকাল সোমবার বিকেলে তিস্তা নদী রক্ষা আন্দোলন কমিটির ডাকা অবস্থান কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ কথাগুলো বলেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা আদায় ও তিস্তা মহাপরিকল্পনা বাস্তবায়নের দাবিতে গতকাল থেকে ৪৮ ঘণ্টার এ অবস্থান কর্মসূচি শুরু হয়েছে। তিস্তা নদীবেষ্টিত পাঁচটি জেলার ১১টি স্থানে একসঙ্গে এ কর্মসূচি চলছে।
‘জাগো বাহে তিস্তা বাঁচাই’ স্লোগানে এ অবস্থান কর্মসূচি চলছে লালমনিরহাট সদর, হাতীবান্ধা, কালীগঞ্জের দুটি স্থানে ও আদিতমারী; রংপুরের গঙ্গাচড়া ও কাউনিয়া; কুড়িগ্রামের রাজারহাট ও উলিপুর; নীলফামারীর ডিমলা এবং গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায়। বিএনপির নেতা-কর্মীদের পাশাপাশি নদীপারের হাজারো বাসিন্দা কর্মসূচিতে অংশ নেন। কর্মসূচিতে যোগ দেন বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতারাও।
অবস্থান কর্মসূচি থেকে তিস্তাপারের মানুষের দুঃখ-দুর্দশা লাঘবে জরুরি পদক্ষেপ নেওয়ার পাশাপাশি তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা আদায়ে ভারতকে চাপ দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়। বিএনপি নেতারা বলেন, বিগত আওয়ামী লীগ সরকার ভারতকে ‘বন্ধু’ বললেও তিস্তার পানির ন্যায্য হিস্যা আদায় করতে পারেনি। দাবি না মানা পর্যন্ত এ আন্দোলন চলবে বলে জানান দলটির নেতারা।
হাজার কোটি লুটের আয়োজন!
বাংলাদেশ প্রতিদিন লিড করেছে, ছাত্র-শিক্ষক-অভিভাবকদের তীব্র সমালোচনা সত্ত্বেও শিক্ষায় নতুন কারিকুলাম চালু করেছিল বিগত শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার। এ কারিকুলাম বিস্তরণের জন্য নেওয়া হয়েছিল লুটপাটের স্কিম ‘ডিসেমিনেশন অব নিউ কারিকুলাম’। ওই কারিকুলামে শিক্ষকরা প্রশিক্ষিত না হলেও স্কিম পরিচালক খরচ করেছেন ৮২৮ কোটি ৩৪ লাখ টাকা! কারিকুলামের বিস্তরণে ব্যয় হওয়া এ টাকা বিভিন্নভাবে লোপাট করা হয়েছে- এমন অভিযোগ শিক্ষা সংশ্লিষ্টদের।
অভিযোগ অনুযায়ী, স্বৈরশাসকের দেশ ছেড়ে পলায়নের পর বাতিল করা হয়েছে বিতর্কিত শিক্ষা কারিকুলাম। কিন্তু বহাল তবিয়তে থাকা বিতর্কিত স্কিম পরিচালক সৈয়দ মাহফুজ আলী এবার কারিকুলাম বিস্তরণের নামে আরও ১ হাজার ৮ কোটি টাকা ব্যয়ের আয়োজন করেছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, শিক্ষাধারায় ২০১২ সালের পাঠ্যক্রম ফিরে এলেও সেই কারিকুলামের বিস্তরণের কথা বলে প্রায় হাজার কোটি টাকা ব্যয়ের আয়োজন লুটপাট ছাড়া আর কিছু নয়। আওয়ামী লীগ আমলে এই স্কিমের নাম ‘ডিসেমিনেশন অব নিউ কারিকুলাম’ থাকলে বর্তমানে কৌশলে স্কিমের নাম দেওয়া হয়েছে ‘ডিসেমিনেশন অব ন্যাশনাল কারিকুলাম’।
গার্মেন্টশিল্পে পরিকল্পিত অস্থিতিশীলতা, নেপথ্যে ফ্যাসিস্টের দোসররা
যুগান্তর লিড করেছে, দেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান উৎস গার্মেন্ট শিল্পকে পরিকল্পিতভাবে অস্থিতিশীল করে তোলা হচ্ছে। ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর এই অস্থিরতার নেপথ্যে সক্রিয়ভাবে কাজ করছে বেসিক্সমকো গ্রুপসহ বিদায়ি ফ্যাসিবাদ সরকারের পলাতক দোসররা। যারা আওয়ামী ব্যবসায়ী হিসাবে সবার কাছে পরিচিত।
এই অসন্তোষের জেরে গত সাড়ে ৫ মাসে বন্ধ হয়ে গেছে ১১৯টি কারখানা। এগুলোর মধ্যে আশুলিয়ায় ও গাজীপুরে ৪০টি, নারায়ণগঞ্জে ৩৬ এবং ঢাকা মহানগরীতে তিনটি কারখানা রয়েছে। এছাড়া একই সময়ে গার্মেন্ট শিল্প এলাকায় এক হাজার ১৪৭টি অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটেছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে-৫২টি অগ্নিকাণ্ড, ৭৫ ভাঙচুর, রাস্তা অবরোধ ২৩৯, লুটতরাজ ৩, কর্মবিরতি ৭৭৮ এবং চুরির ঘটনা ১১টি। সরকারের একটি বিশেষ সংস্থার প্রতিবেদন এবং যুগান্তরের নিজস্ব অনুসন্ধানে উঠে এসেছে এসব চাঞ্চল্যকর তথ্য।

আর রমজান মাসকে সামনে রেখে গার্মেন্ট সেক্টরে বড় ধরনের অস্থিরতা সৃষ্টির পাঁয়তারা চলছে-এমন আশঙ্কা সংশ্লিষ্টদের। তাদের মতে-এর নেপথ্যে একটি পরাজিত রাজনৈতিক শক্তি বেশ তৎপর। ওই শক্তিটি গাজীপুর ও টঙ্গী এলাকাকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। পরাজিত রাজনৈতিক ওই শক্তি ইতোমধ্যেই ‘ভায়োলেন্স ক্রিয়েটার গ্রুপ’ হিসাবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে চিহ্নিত হয়েছে। এই গ্রুপটি টাকার বিনিময়ে অবরোধ, মিছিল, জ্বালাও-পোড়াওসহ বিভিন্ন সংঘবদ্ধ অপরাধে জড়িয়ে পড়েছে। শ্রমিকদের মনে ভীতির সঞ্চার করে প্রতি মাসেই কাজে বিঘ্ন ঘটাচ্ছে।
সামিট গ্রুপের দখলে ইন্টারনেট খাত
আমার দেশ লিড করেছে, আইসিটি ও টেলিকমিউনিকেশন খাতে এখনো একচ্ছত্র আধিপত্য সামিট গ্রুপের। হাসিনাপুত্র সজীব ওয়াজেদ জয়ের প্রত্যক্ষ সহায়তায় সামিট এ সুযোগ পায়। নীতিমালা লঙ্ঘন করে সামিটকে দেওয়া হয়েছিল ৬টি লাইসেন্স, যা ছিল বাজার প্রতিযোগিতার পরিপন্থী। ইন্টারনেট ব্যান্ডউইডথের ৫০ শতাংশের বেশি এখন সামিটের দখলে। আমার দেশ-এর অনুসন্ধানে এ তথ্য জানা গেছে।
বিশ্লেষকরা জানান, সামিটকে একচ্ছত্র আইসিটি খাত-সংশ্লিষ্ট সুবিধা দেওয়ায় ইন্টারনেট খাত ভারতনির্ভর হয়ে পড়েছে। এতে জাতীয় নিরাপত্তা হুমকির সম্মুখীন হয়ে পড়েছে। সংশ্লিষ্টরা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দুর্নীতিবাজ ও অর্থপাচারকারী বিভিন্ন শিল্পগোষ্ঠীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হলেও অদৃশ্য কারণে ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে সামিট গ্রুপ- যারা আওয়ামী শাসনামলের অন্যতম সুবিধাভোগী একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে চিহ্নিত।
২০০৯ সালের ৬ জানুয়ারি আওয়ামী লীগ ফের রাষ্ট্রক্ষমতায় আসে। নতুন সরকার গঠনের পর বাণিজ্যমন্ত্রীর দায়িত্ব পান সামিট গ্রুপের চেয়ারম্যান আজিজ খানের ভাই, গোপালগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য ফারুক খান। একই বছরের মধ্যে সামিট গ্রুপ সরকারের প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় টেলিকম খাতে প্রবেশ করে এবং দেশের ফাইবার নেটওয়ার্ক স্থাপনের জন্য বিটিআরসি থেকে এনটিটিএন (ন্যাশনাল টেলিকম ট্রান্সমিশন নেটওয়ার্ক) লাইসেন্স পেয়ে যায়। এখান থেকেই শুরু হয় সামিটের একচ্ছত্র আধিপত্য প্রতিষ্ঠার যাত্রা।

প্রাথমিকভাবে এনটিটিএন লাইসেন্স নিয়ে কার্যক্রম শুরু করলেও অল্প সময়ের মধ্যেই সামিট একে একে আইটিসি (ইন্টারন্যাশনাল টেরেস্ট্রিয়াল ক্যাবল), আইআইজি (ইন্টারন্যাশনাল ইন্টারনেট গেটওয়ে) ও আইএসপি (ইন্টারনেট সার্ভিস প্রোভাইডার) লাইসেন্স বাগিয়ে নেয়। নীতিমালা লঙ্ঘন করেই সরকার এই লাইসেন্সগুলো দেয়, যার ফলে সামিট কার্যত বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক ইন্টারনেট খাতের নিয়ন্ত্রণকারী প্রধান শক্তিতে পরিণত হয়।
খুশি করতে না পারলেই কপাল পোড়ে মিলারের
সমকাল লিড করেছে, খাদ্য অধিদপ্তরে চাল, আটা ও ময়দা কলের মালিকদের তালিকাভুক্তি নিয়ে চলছে ব্যাপক অনিয়ম। খাদ্য মন্ত্রণালয় ও অধিদপ্তরের কিছু অসাধু কর্মকর্তা মিলেমিশে গড়ে তুলেছেন ঘুষ বাণিজ্যের সিন্ডিকেট। তাদের 'খুশি' করতে না পারলে আবেদন করলেও যোগ্য মিলারদের তালিকাভুক্ত করা হচ্ছে না। দিনের পর দিন ফেলে রাখা হয় আবেদন। এমন ঘটনাও ঘটেছে, মিলার হিসেবে তালিকাভুক্ত হওয়ার পর চাহিদামাফিক 'খুশি' না করায় এক মিলারের অনুমোদনপত্র পরদিনই বাতিল করা হয়েছে।
আবার খাদ্য অধিদপ্তরের তালিকাভুক্তির জন্য জেলা খাদ্য কর্মকর্তার মাধ্যমে আবেদনের নিয়ম থাকলেও তা মানা হয়নি। অসাধু কর্মকর্তাদের হাত করে সরাসরি খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বা সচিব বরাবর আবেদন করে তালিকাভুক্তির ঘটনাও ঘটেছে। এতে তালিকাভুক্তির বাইরে থেকে যাচ্ছেন অনেক প্রকৃত মিলার। ফলে দেশে খাদ্য মজুতের সঠিক চিত্রও অনেক সময় আড়ালে থেকে যায়। এটি সরকার ও দেশের মানুষেরও ভয়াবহ সংকটে পড়ার ঝুঁকি তৈরি করছে।
৬৩ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভারাক্রান্ত ঢাকা
কালের কণ্ঠে লিড করা হয়েছে, রাজধানী ঢাকার আয়তন মাত্র এক হাজার ৪৬৩ বর্গকিলোমিটার।ছোট্ট আয়তনের এই শহরে ৬৩টি বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে। এর মধ্যে সরকারি আটটি এবং বেসরকারি ৫৫টি বিশ্ববিদ্যালয়। শুধু বিশ্ববিদ্যালয়ই নয়, রাজধানীতে অবস্থিত শতাধিক সরকারি-বেসরকারি কলেজেও যত্রতত্র অনার্স-মাস্টার্স কোর্স চালু করা হয়েছে।
অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে আরো একাধিক বিশ্ববিদ্যালয়। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারে ভারাক্রান্ত হয়ে পড়েছে রাজধানী ঢাকা। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, রাজধানীতে অনেক বেশি স্কুল-কলেজ চোখে পড়ে। এখন এর সঙ্গে আরেকটি প্রতিষ্ঠান যুক্ত হয়েছে, সেটি হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়।
মূল সড়কের একটি মোড় ঘুরলেই কোনো না কোনো বিশ্ববিদ্যালয় চোখে পড়বে। রাজধানীতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের সংখ্যা বাড়তে থাকলেও ক্রমশ উচ্চশিক্ষার মান কমছে। ফলে দেশে বাড়ছে শিক্ষিত বেকারের সংখ্যা।
শিক্ষার জঞ্জাল ঘোচাতেই নাভিশ্বাস
মানবজমিন লিড করেছে, আওয়ামী লীগ সরকারের সময়ে অনিয়মই নিয়ম হয়ে ওঠা শিক্ষা খাতের জঞ্জাল সারাতে এখন গলদঘর্ম অবস্থা অন্তর্বর্তী সরকারের শিক্ষা প্রশাসনের। একের পর এক দাবি নিয়ে শিক্ষা খাতের কর্মীদের আন্দোলন থামাতে ব্যতিব্যস্ত কর্মকর্তারা। যৌক্তিক দাবিগুলো মেনে নেয়ার পর সামনে নতুন দাবি। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, পুরো খাত নিয়ে মহাপরিকল্পনা বা সংস্কার পরিকল্পনা নেয়া ছাড়া এই সমস্যা উতরানো যাবে না। শিক্ষা খাতে অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার প্রথম চিত্র দেখা গেছে সরকার পতনের পর প্রতিষ্ঠানগুলোতে ব্যাপক মব। দলীয় প্রশাসন ও দলীয় প্রতিষ্ঠান প্রধানদের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ অনেকটা মবে পরিণত হয়েছিল।
এই মব পরিস্থিতি এখন অনেকটা নিয়ন্ত্রণে এসেছে। আওয়ামী লীগের শাসনামলে শিক্ষার প্রতিটি স্তরে গড়ে উঠেছে অনিয়মের আখড়া। সনদ বিক্রি, যত্রতত্র প্রতিষ্ঠান করে বাণিজ্য করার সিন্ডিকেট গড়ে ওঠে। আর এই সিন্ডিকেটেই ধস নামে শিক্ষা ব্যবস্থায়। অন্তর্বর্তী সরকার গঠনের পর প্রধান চ্যালেঞ্জ সামনে আসে পাঠ্য বইয়ের সংস্কার। দ্রুত সময়ে এই সংস্কার এবং পরিবর্তন করতে গিয়ে নানা বিপত্তিতে পড়ে প্রশাসন। সংস্কার করতে গিয়ে বছরের প্রায় দুই মাস পার হলেও এখনো অনেক শিক্ষার্থী হাতে বই পায়নি।
এ ছাড়া পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভিসি ও অন্যান্য পদে নিয়োগের বিষয়ও চ্যালেঞ্জ হয়ে আসে। সকল পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েই ভিসি ও অন্যান্য পদে আনতে হয়েছে পরিবর্তন। এসব পদে নিরপেক্ষ লোক খুঁজে পেতে নাভিশ্বাস অবস্থা তৈরি হয়। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে পুরোদমে আওয়ামী লীগের প্রশাসন তৈরি করায় এই পরিস্থিতি তৈরি হয়। বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর কিছুটা গতি আসা শুরু হলেও একের পর এক আন্দোলন সামনে আসছে। যা ছিল গত ছয় মাসের নিয়মিত চিত্র। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা আন্দোলন করছেন দশম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবিতে।

