পাকিস্তান ক্রিকেটে চলছে চরম অস্থিরতা। মাঠের ব্যর্থতার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে মাঠের বাইরের নানা বিতর্ক। বিশ্বকাপ ও চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে ভরাডুবির পর থেকেই সমালোচনার মুখে দেশটির শীর্ষ ক্রিকেটাররা।
এই সমালোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে উঠে এসেছেন অলরাউন্ডার শাদাব খানও। তার বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ, শ্বশুর সাকলায়েন মুশতাকের কারণে দলে বিশেষ সুবিধা নিয়েছেন তিনি।
সাকলায়েন পাকিস্তান ক্রিকেট দলের একজন মেন্টর। এ কারণে অনেকেই মনে করছেন, শাদাব শ্বশুরের দয়াতেই জাতীয় দলে সুযোগ পেয়ে যাচ্ছেন। তবে এ অভিযোগে ক্ষুব্ধ শাদাব খান। সম্প্রতি পাকিস্তানি গণমাধ্যমকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেন, ‘সাকলায়েন মুশতাকের সঙ্গে সম্পর্ক নিয়ে বারবার কথা বললে খুব কষ্ট লাগে। আমি ৭ বছর ধরে জাতীয় দলে খেলছি। পারফরম্যান্সও করেছি। শ্বশুর হিসেবে নয়, একজন অভিজ্ঞ ক্রিকেটার হিসেবে আমি তার কাছ থেকে অনেক কিছু শিখি। এর মানে এই না যে, তিনি আমাকে সুযোগ করে দিচ্ছেন।’
২০২৩ সালের জানুয়ারিতে সাকলায়েনের মেয়ে মালাইকা সাকলায়েনকে বিয়ে করেন শাদাব। এরপর থেকেই তার পারফরম্যান্স নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। বিশেষ করে নিউজিল্যান্ড সিরিজে ব্যর্থতা ছিল চোখে পড়ার মতো। ৫ ম্যাচে দিয়েছেন ১৪৩ রান, উইকেট পেয়েছেন মাত্র ১টি। ইকোনমি রেট ১১.০০। ব্যাটিংয়েও ছিলেন ফ্লপ, ৪ ইনিংসে করেছেন মাত্র ২৮ রান।
পাকিস্তান ক্রিকেটে পরিবারতন্ত্রের অভিযোগ নতুন নয়। প্রিয়জনদের তুষ্ট করতে দলে সুযোগ দেওয়া, দলে প্রভাব খাটানো— এই অভিযোগ বহুবার উঠেছে। এবার শাদাব খানকেও সেই তালিকায় ফেলা হচ্ছে।
তবে নিজের ব্যাখ্যা দিয়ে শাদাব স্পষ্ট বলেন, ‘আমি পারফরম্যান্স দিয়ে জায়গা করে নিয়েছি। আর যারা এসব বলছেন, তারা আসলে ক্রিকেট নয়, গসিপ খুঁজছেন।’

